লগইন রেজিস্ট্রেশন
General

ওসমানের রক্ত কথা বলে: বিপ্লবীদের মৃত্যু নেই, তারা ইতিহাসের ধ্রুবতারা

@admin

21 Dec, 2025 • 1 ভিউস

শেয়ার করুন:
Banner

এরা কেবল ব্যক্তি নন, এরা বিপ্লবী জনতার বজ্রকণ্ঠ। যারা দেশের উন্নয়নের জন্য, সাধারণ মানুষের মুক্তির জন্য নিজেদের জীবন বাজি রেখে সংগ্রাম করে গেছেন, তাদের থামানো এত সহজ নয়। বুলেট দিয়ে শরীর ঝাঁঝরা করা যায়, কিন্তু আদর্শকে হত্যা করা যায় না।


যাদের বজ্রকণ্ঠ, ত্যাগ এবং দেশপ্রেমের কাছে স্বৈরাচার নত হতে বাধ্য হয়েছে, সেই ১০ জন বিপ্লবি:


১. বিপ্লবী ওসমান হাদি (মামদানি, বাংলার সিংহ) যিনি কারো পরোয়া করেন না, যার কণ্ঠস্বর সততার চাদরে মোড়ানো। কোটি টাকার প্রলোভন উপেক্ষা করে তিনি আজও ‘ইনকিলাব মঞ্চ’ আঁকড়ে ধরে আছেন মানুষের মুক্তির দাবিতে। ঢাকা-৮ আসন থেকে তিনি স্বতন্ত্রভাবে লড়বেন, যার ভোট চাওয়ার স্টাইল মনে করিয়ে দেয় মামদানিকে।

২. হাসনাত আব্দুল্লাহ (বাংলার বাঘ - এনসিপি) বিপ্লবীদের মধ্যে অন্যতম সাহসী মুখ। জনতার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে যিনি ক্যান্টনমেন্টকেও ছাড় দেননি। ক্ষমতার মোহ ত্যাগ করে তিনি রাজপথ বেছে নিয়েছেন। শেখ মুজিবের বাড়িতে গিয়ে ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার সাহস একমাত্র হাসনাতেরই আছে।

৩. ডা. তাসনিম জারা (লৌহ মানবী - এনসিপি) বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে রাজনীতির মাঠে আসা এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। নিন্দুকদের অপমানকে অনুপ্রেরণা বানিয়ে তিনি এগিয়ে চলেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন উচ্চশিক্ষিত ও যোগ্য নারী রাজনীতিবিদ বিরল। তিনি বিজয়ী হলে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে।

৪. ডা. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (নির্যাতিত - শিবির) সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েও যিনি ফ্যাসিবাদের সামনে মাথা নত করেননি। তার হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন আজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রশংসিত। মেধা ও ত্যাগের এক অনন্য উদাহরণ তিনি।

৫. শিশির মনির (মজলুমদের দূত - জামাত) মেধা ও দূরদর্শিতায় যিনি অনন্য। আইনি লড়াইয়ে তিনি ফ্যাসিবাদের ত্রাস। খালেদা জিয়াসহ অসংখ্য মজলুম নেতার পক্ষে লড়েছেন একাই। দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে তার কণ্ঠ সবসময় সোচ্চার।

৬. লুৎফুজ্জামান বাবর (সেভেন সিস্টার্সের বাপ - বিএনপি) যার নাম শুনলে আধিপত্যবাদীদের মসনদ কেঁপে ওঠে। ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলা এই নেতা জানেন, কীভাবে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে হয়। তিনি রাজনীতির সেই মাস্টারমাইন্ড, যিনি শিয়ালকে বাঘের ভয় দেখাতে জানেন।

৭. নাহিদ ইসলাম (এক দফার ঘোষক - এনসিপি) ‘দফা এক, দাবি এক’—এই স্লোগানের রূপকার। মন্ত্রিত্বের মায়া ত্যাগ করে, সম্পদের হিসাব দিয়ে পদত্যাগ করে যিনি অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। ক্ষমতার মোহ তাকে স্পর্শ করতে পারেনি, তিনি জনতার কাতারেই ফিরে এসেছেন।

৮. আখতার হোসেন (মাওলানা ভাসানী - এনসিপি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আতঙ্কের নাম, স্বৈরাচারের ভয়ের কারণ। রংপুরের মাটির সাথে মিশে থাকা এই নেতা নিজের ভাগ্য পরিবর্তন না করে শিক্ষার্থীদের ভাগ্য বদলে লড়াই করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে দাঁড়িয়েও তিনি ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার সাহস রাখেন।

৯. ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ (বাংলার বজ্রকণ্ঠ) যার একেকটা কথা যেন শব্দবোমা। তরুণ এই বুদ্ধিজীবী কাউকে ভয় পান না। আঙুল উঁচিয়ে জনতার মনের কথাগুলো বলার মতো অদম্য সাহস তার আছে।

১০. নুরুল হক নুর (নির্যাতিত বিপ্লবী - গণঅধিকার) হাসিনার শাসনামলে যিনি রাজপথে সবচেয়ে বেশি রক্ত ঝরিয়েছেন। যার প্রতিবাদে স্বৈরাচারের মসনদ বারংবার কেঁপে উঠেছে। তর্ক-বিতর্কের ঊর্ধ্বে গণতন্ত্রের লড়াইয়ে নূরের অবদান অনস্বীকার্য।


একজনকে দাবিয়ে রাখলে ভাববেন না সব শেষ; বরং একজনকে থামানোর চেষ্টা করলে তৈরি হবে আরও হাজারো ওসমান। ওসমান হাদি আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যায়নি, হারাবেও না। সে মিশে আছে প্রতিটি দেশপ্রেমিক বাঙালির হৃদয়ের স্পন্দনে, প্রতিটি স্লোগানে।

যাদের তোমরা নিশ্চিহ্ন করে দিতে চাও, মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করো—তারা ইতিহাসের পাতায় আজীবন গেঁথে থাকবে। মনে রেখো, অত্যাচারী শাসকের নাম কালস্রোতে হারিয়ে যাবে, কিন্তু আমাদের এই বিপ্লবী ভাইয়েরা হারাবে না।

পুরো দেশের ইতিহাস তাদের আজীবন স্বর্ণাক্ষরে স্মরণ রাখবে। কারণ, বিপ্লবীদের মৃত্যু নেই, তারা চেতনার বাতিঘর হয়ে বেঁচে থাকে অনন্তকাল।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ! ??

মন্তব্যসমূহ (0)