লগইন রেজিস্ট্রেশন

পড়ুন, লিখুন এবং আয় করুন

বাংলাদেশের জনপ্রিয় কন্টেন্ট শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে যোগ দিন। প্রতি পোস্ট এবং কমেন্টের মাধ্যমে আপনার টোকেন ব্যালেন্স বাড়িয়ে নিন।

10.00

টোকেন/পোস্ট

2.00

টোকেন/কমেন্ট

1000.00

মিনিমাম উইথড্র

72

লাইভ পোস্ট

Sponsored Ad

সাম্প্রতিক আপডেট

General
#37 21 Dec, 2025

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে ধস: কর্মসংস্থান কমছে, বাড়ছে বেকারত্বের হার – ২০২৫ এর অশনি সংকেত?

এখানে আপনার অনুরোধ অনুযায়ী একটি এসইও (SEO) অপটিমাইজড ব্লগ পোস্ট তৈরি করে দেওয়া হলো। আপনার দেওয়া লিংকগুলোকে আমি বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা অনুযায়ী আর্টিকেলের ভেতরে (Contextual Linking) এবং শেষে 'আরও পড়ুন' সেকশনে যুক্ত করেছি।যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে ধস: কর্মসংস্থান কমছে, বাড়ছে বেকারত্বের হার – ২০২৫ এর অশনি সংকেত?ফেডারেল জব রিপোর্টের সর্বশেষ তথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান ব্যবস্থায় বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। সদ্য প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্র ১ লাখ ৫ হাজার চাকরি হারিয়েছে, যার বিপরীতে নভেম্বরে মাত্র ৬৪ হাজার নতুন চাকরি যুক্ত হয়েছে। এই নিম্নমুখী প্রবণতা যদি অব্যাহত থাকে, তবে তা কেবল মার্কিন অর্থনীতি নয়, বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও উদ্বেগের কারণ হতে পারে।এই আর্টিকেলে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান শ্রমবাজারের পরিস্থিতি, বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণ এবং বিভিন্ন খাতে এর প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।১. কর্মসংস্থানে ধীরগতি: আশঙ্কার পরিসংখ্যান২০২৫ সালের শুরুটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক ছিল। বছরের প্রথম দিকে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১ লাখ ২২ হাজার নতুন চাকরি সৃষ্টি হচ্ছিল। কিন্তু মে মাস থেকে এই চিত্র পাল্টে যেতে শুরু করে। মে থেকে নভেম্বর পর্যন্ত গড় কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়ে মাত্র ৩২ হাজারে নেমে এসেছে। অর্থাৎ, বছরের শুরুর তুলনায় বর্তমানে চাকরি তৈরির হার চার গুণ কমে গেছে।অর্থনৈতিক মন্দার এই সময়ে অনেকেই বিকল্প আয়ের উৎস খুঁজছেন। আপনি যদি ঘরে বসে আয়ের কথা ভাবেন, তবে দেখে নিতে পারেন ঘরে বসে আয়: ১০টি সেরা ও পরীক্ষিত মাধ্যম।২. বৈষম্য ও বেকারত্ব: অশ্বেতাঙ্গ ও তরুণদের সংকটরিপোর্টে দেখা গেছে, বেকারত্বের আঘাত সব শ্রেণীর ওপর সমানভাবে পড়েনি। বিশেষ করে অশ্বেতাঙ্গ কর্মীদের মধ্যে বেকারত্বের হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।অশ্বেতাঙ্গ কর্মী: মে মাসে বেকারত্বের হার ছিল ৬%, যা নভেম্বরে বেড়ে ৮.৩% এ দাঁড়িয়েছে। সামগ্রিক বেকারত্ব মাত্র ০.৪% বাড়লেও, কালো কর্মীদের ক্ষেত্রে তা ২.৩% বৃদ্ধি পেয়েছে।তরুণ প্রজন্ম (Gen-Z): কিশোরদের বেকারত্বের হার বেড়ে ১৬.৩% হয়েছে, যা ২০২০ সালের আগস্টের পর সর্বোচ্চ।চাকরিহীনতা এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলে। যদি আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ হতাশায় ভোগেন, তবে জেনে নিন মন ভালো নেই? ডিপ্রেশন কাটিয়ে ওঠার ৫টি সহজ সমাধান।৩. খাতভিত্তিক বিশ্লেষণ: স্বাস্থ্যসেবা বনাম উৎপাদন খাতচাকরির বাজারে একটি অদ্ভুত ভারসাম্যহীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একদিকে সেবা খাত বাড়ছে, অন্যদিকে উৎপাদন খাত ধুঁকছে।যেসব খাতে চাকরি বাড়ছে:স্বাস্থ্যসেবা: হোম হেলথ কেয়ার এবং নার্সিং হোমে কর্মসংস্থান বেড়েছে।সামাজিক সেবা: বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে জনবল নিয়োগ অব্যাহত রয়েছে। সুস্থ থাকার জন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাস জরুরি। জেনে নিন মিষ্টিকুমড়ার বীজের উপকারিতা এবং ওজন কমানোর টিপস এবং মসুর ডালের অবিশ্বাস্য স্বাস্থ্য গুণাগুণ।যেসব খাতে চাকরি কমছে:উৎপাদন খাত: ২০২৫ সালে কারখানায় চাকরি কমেছে প্রায় ৬৩ হাজার।ব্যবসায়িক সেবা: এই খাতে ৮০ হাজার চাকরি নাই হয়ে গেছে।৪. প্রযুক্তির প্রভাব ও এআই (AI) এর ভূমিকাবিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উৎপাদন ও ব্যবসায়িক সেবা খাতে চাকরি কমার অন্যতম কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI। অনেক 'হোয়াইট কলার' বা অফিসিয়াল কাজ এখন অটোমেশনের দখলে চলে যাচ্ছে। প্রযুক্তির এই যুগে টিকে থাকতে হলে আধুনিক টুলের ব্যবহার জানা জরুরি। বিভিন্ন অনলাইন টুলস সম্পর্কে জানতে পড়ুন: Fullimedia.com রিভিউ: সব প্রয়োজনীয় অনলাইন টুলস এখন এক ক্লিকেই।এছাড়াও প্রযুক্তির বাজারে নতুন নতুন গ্যাজেট আসছে, যেমন Samsung Galaxy Z Flip 6, যা কনজিউমার মার্কেটে প্রভাব ফেলছে।উপসংহারযুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের এই অস্থিরতা বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দার ইঙ্গিত দিচ্ছে। একদিকে জেন-জি কর্মীরা চাকরি ছাড়তে চাইছেন, অন্যদিকে উপযুক্ত চাকরির অভাব—এই দুইয়ের টানাপোড়েনে ২০২৫ সাল অর্থনীতিবিদদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং বছর হতে যাচ্ছে।? আরও খবর এবং লাইফস্টাইল টিপস (Recommended Reading)রাজনীতি ও সমসাময়িক বিশ্ব:ইনকিলাব মঞ্চ ও হাদি হত্যা মামলা: সিভন সঞ্জয়ের রিমান্ডবগুড়া-৭ আসনে খালেদা জিয়ার মনোনয়ন ও নির্বাচন ২০২৫ওসমান হাদি বনাম শুটার: নৈতিক তুলনাবাংলাদেশের সংসদে বিপ্লবী নেতাদের ভূমিকাওসমান হাদির বিচারের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহতলাইফস্টাইল ও রেসিপি:বেগুন দিয়ে ১০টি জিভে জল আনা রেসিপিতান্দুরি এগ রেসিপি রিভিউ: ভিন্নধর্মী স্বাদের ফিউশনধর্ম ও সাধারণ জ্ঞান:জিবরাঈল (আ:) কেন ভ্রূকুটি করেছিলেন?সাপের কামড়ে ঘোড়া মারা যায় না কেন? জানুন অ্যান্টি-ভেনম তৈরির রহস্যঅফার ও অন্যান্য:জিপি ইন্টারনেট অফার: ৩০ দিনের সেরা তালিকা
admin
পড়ুন
General
#36 21 Dec, 2025

ইনকিলাব মঞ্চের হাদি হত্যা: সিভিয়ন ও সঞ্জয় ফের ৫ দিনের রিমান্ডে!

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলা: সিভিয়ন ও সঞ্জয় ফের ৫ দিনের রিমান্ডেতারিখ: ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ | বিষয়: অপরাধ ও বিচারইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারকৃত দুই আসামি, সিভিয়ন ডিউ ও সঞ্জয় চিসিমকে আবারও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তের স্বার্থে রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকার আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।আদালতের আদেশ ও রিমান্ড মঞ্জুররোববার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক সিভিয়ন ডিউ ও সঞ্জয় চিসিমের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে, গত বৃহস্পতিবারও আদালত তাদের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। প্রথম দফার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আরও তথ্যের প্রয়োজনে তদন্তকারী কর্মকর্তা পুনরায় রিমান্ডের আবেদন জানালে আদালত তা গ্রহণ করেন।আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও তদন্তের অগ্রগতিমামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেন যে, গ্রেফতারকৃত এই দুই আসামির বিরুদ্ধে মামলার প্রধান অভিযুক্তকে পালাতে সহায়তা করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে।প্রধান আসামিকে পলায়নে সহায়তা: মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল দাউদ (৩৭) ও তার এক সহযোগীকে অবৈধ পথে ভারতে পালিয়ে যেতে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন সিভিয়ন ও সঞ্জয়।প্রযুক্তিগত প্রমাণ: পুলিশ জানিয়েছে, তাদের এই সহযোগিতার বিষয়ে প্রযুক্তিগত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও তথ্য পাওয়া গেছে।রাজনৈতিক পরিচয়: গ্রেফতারকৃত আসামি সিভিয়ন ডিউ নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য জুয়েল আড়েং-এর ভাগিনা বলে জানা গেছে।ঘটনার পেছনের কাহিনীগত ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪ রোজ বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর পল্টন থানাধীন বক্স কালভার্ট রোডে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।শরিফ ওসমান হাদি একটি অটোরিকশায় চড়ে যাচ্ছিলেন।হঠাৎ মোটরসাইকেলে আসা দুষ্কৃতকারীরা তাকে লক্ষ্য করে প্রকাশ্যে গুলি চালায়।গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে হাসপাতালে নেওয়া হলে পরবর্তীতে তার মৃত্যু হয়।এই ঘটনার দুদিন পর, ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন, যা পরবর্তীতে হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়।শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রধান আসামি রাহুল দাউদকে গ্রেফতার এবং এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল ষড়যন্ত্র উন্মোচনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়া মামলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
admin
পড়ুন
General
#35 21 Dec, 2025

বগুড়া-৭ আসনে খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ: ধানের শীষের ঘাঁটিতে উৎসবের আমেজ

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনীতির মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসন থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।রোববার (২১ ডিসেম্বর) বেলা ২টার দিকে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়কারী ও সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু এই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।মনোনয়ন সংগ্রহ ও নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাসবগুড়ার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিমের কাছ থেকে এই মনোনয়ন ফরম গ্রহণ করা হয়। এ সময় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় চত্বরে বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। প্রিয় নেত্রীর পক্ষে মনোনয়নপত্র তোলায় তাদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিল।রাজনীতিতে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে জনগণ এখন অনেক বেশি সচেতন। তারা আগামী সংসদে কাদের দেখতে চায়, তা নিয়ে চলছে জোর বিশ্লেষণ।আরও পড়ুন: আগামী জয়ের কান্ডারি: সংসদে যে ১০ জন বিপ্লবীকে দেখতে চাইএ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এমআর ইসলাম স্বাধীন, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম হেলাল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন প্রমুখ।লালুর বক্তব্য: রেকর্ড ভোটে জয়ের প্রত্যাশামনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু সাংবাদিকদের বলেন, “আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৭ আসনে খালেদা জিয়া অংশ নেবেন। আমরা তার পক্ষে মনোনয়নপত্র উত্তোলনের জন্য এসেছিলাম এবং তা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতে এটি সঠিক জায়গায় জমা দেওয়া হবে।”তিনি আরও বলেন, “খালেদা জিয়া এই আসন থেকে টানা তিনবার নির্বাচিত হয়েছেন। এবার আমরা তাকে সবচেয়ে বেশি ভোট উপহার দিতে চাই। মানুষ তাকে ভোট দেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।”রাজনীতিতে নৈতিকতা এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্নটি বারবার সামনে আসছে। ভালো-মন্দের পার্থক্য বোঝা এখন সময়ের দাবি।আরও পড়ুন: উত্তম বনাম অধম: একটি গুলি এবং দুটি ভিন্ন বাস্তবতা (নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র)দোয়া মাহফিল ও সুস্থতা কামনামনোনয়নপত্র উত্তোলনের আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন বায়তুল মামুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুনছুরুল হক।ধর্মীয় অনুশাসন এবং দোয়ার গুরুত্ব আমাদের জীবনে অপরিসীম। হযরত জিবরাঈল (আ.)-এর একটি বিশেষ ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারেন।আরও পড়ুন: কেন জিবরাঈল (আ.) ভ্রু কুঁচকেছিলেন? অজানা ঘটনান্যায়বিচার ও জনদাবিদেশজুড়ে যখন নির্বাচনের হাওয়া, তখন বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের বিচার ও ন্যায়বিচারের দাবিতেও সোচ্চার সাধারণ মানুষ।আরও পড়ুন: আন্দোলনের চাপ ছাড়া মিলবে না বিচার: শহীদ ওসমানের ভাইয়ের শঙ্কালাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টিপস (সুস্থ থাকুন)নির্বাচনী ব্যস্ততা বা দৈনন্দিন জীবনের ধকলে নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া জরুরি। প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থ থাকতে জেনে নিন কিছু টিপস:ওজন ও চুলের যত্ন: কুমড়োর বীজ বা মিষ্টি কুমড়ার বিচি ফেলনা নয়, এটি ওজন কমাতে ও চুল গজাতে দারুণ কার্যকরী।বিস্তারিত: ওজন কমানো ও চুলের বৃদ্ধিতে কুমড়োর বীজের উপকারিতাসুপারফুড মসুর ডাল: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মসুর ডাল কেন রাখবেন? এর স্বাস্থ্যগুণ আপনাকে অবাক করবে।বিস্তারিত: মসুর ডালের বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতাউপসংহার: বগুড়া-৭ আসনে বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের মাধ্যমে বিএনপির নির্বাচনী কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চারিত হলো। গাবতলী ও শাজাহানপুরের মানুষ তাদের প্রিয় নেত্রীকে আবারও বিপুল ভোটে বিজয়ী করার অপেক্ষায় আছেন।#KhaledaZia #BNP #Bogra7 #Election2025 #BangladeshPolitics #DhaderSheesh
admin
পড়ুন
Recommendation
General
#34 21 Dec, 2025

‘ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলায় ওসমানের এই পরিণতি’: মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, বাংলাদেশে যারা ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে, তাদেরকেই পরিকল্পিত হত্যার শিকার হতে হয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদিও সেই ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের নির্মম বলি।শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌর উন্মুক্ত মঞ্চে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।আধিপত্যবাদ ও পরিকল্পিত হত্যামাওলানা রফিকুল ইসলাম খান তার বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন,“ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে যারাই কথা বলেছেন তারাই পরিকল্পিত হত্যার শিকার হয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় ওসমান হাদির পরিণতিও এমন হলো। অকালে ঝরে গেলেন একজন বিপ্লবী কণ্ঠ।”তিনি উল্লেখ করেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যারা আপসহীন, তাদের পথচলা সবসময়ই কণ্টকাকীর্ণ করা হয়েছে।এ প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে নৈতিকতা ও অপরাধের ধরণ নিয়ে বিস্তারিত জানতে পড়তে পারেন:আরও পড়ুন: উত্তম বনাম অধম: ওসমান হাদি ও তার খুনির নৈতিক পার্থক্যবিপ্লবীদের ত্যাগ ও সরকারের দায়িত্বসহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, আজ যারা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে আছেন, তারা হাদির মতো তরুণদের রক্তের বিনিময়েই সেখানে পৌঁছেছেন।তিনি বলেন, “আমরা একজন দেশপ্রেমিক ও সময়ের বীর সন্তানকে হারালাম। যাদের আত্মত্যাগ ও অবদানের কারণে আজ বাংলাদেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে। যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের।”বিপ্লবীদের নিরাপত্তা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে শহীদ ওসমানের পরিবারের শঙ্কা সম্পর্কে আরও জানুন:আরও পড়ুন: আন্দোলনের চাপ ছাড়া মিলবে না বিচার: শহীদ ওসমানের ভাইয়ের শঙ্কাআগামী নির্বাচন ও স্বপ্নের বাংলাদেশমাওলানা রফিকুল ইসলাম খান আগামী দিনের বাংলাদেশ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, দেশ আজ গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় কয়েক ধাপ এগিয়ে গেছে। আগামী সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে এ দেশের মানুষের দীর্ঘ দিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।তার মতে, আগামী বাংলাদেশ হবে:দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত।চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ।বৈষম্যহীন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ।আগামীর নেতৃত্বে কারা আসা উচিত, তা নিয়ে জনমনে আগ্রহ রয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়ুন:আরও পড়ুন: আগামী জয়ের কান্ডারি: সংসদে যে ১০ জন বিপ্লবীকে দেখতে চাইঅনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যারাউল্লাপাড়া উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক শাহজাহান আলীর সভাপতিত্বে এবং দপ্তর সম্পাদক মাওলানা আব্দুর বারীর সঞ্চালনায় এই দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন:উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. নজরুল ইসলাম।সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম।সাবেক সেক্রেটারি আলাউদ্দিন আল আজাদ।প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল আলম।পৌর জামায়াতের আমীর আব্দুল করিম প্রমুখ।স্বাস্থ্য ও জীবনধারা (আরও পড়ুন)রাজনীতির খবরের পাশাপাশি সুস্থ জীবনযাপনও জরুরি। জেনে নিন কিছু স্বাস্থ্য টিপস:চুলের যত্ন ও ওজন নিয়ন্ত্রণ: কুমড়োর বীজ কীভাবে প্রাকৃতিকভাবে আপনার ওজন কমাতে ও চুল গজাতে সাহায্য করে? বিস্তারিত জানুন এখানেডালের পুষ্টিগুণ: মসুর ডাল খাওয়ার বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো কী কী? বিস্তারিত জানুন এখানেউপসংহার: শহীদ ওসমান হাদির জন্য আয়োজিত এই দোয়া মাহফিল থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয় যে, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই থামবে না এবং শহীদদের রক্তের সাথে বেইমানি করা যাবে না।#OsmanHadi #JamaatEIslami #RafiqulIslamKhan #BangladeshPolitics #AntiHegemony #Ullapara
admin
পড়ুন
General
#33 21 Dec, 2025

চট্টগ্রামে ট্রাফিক পুলিশের ওপর সিএনজি চালকদের হামলা: ২ পুলিশ আহত, আটক ১০

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে ট্রাফিক আইন অমান্যকারী যানের বিরুদ্ধে অভিযান চলাকালে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ও ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের হামলায় দুই ট্রাফিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এই ঘটনার জেরে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে আটক করেছে।আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জারটেক এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।ঘটনার সূত্রপাত যেভাবেপ্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, রোববার সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের মইজ্জারটেক সংলগ্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে চেকপোস্ট বসায় ট্রাফিক পুলিশ। সেখানে দায়িত্ব পালন করছিলেন দুই সার্জেন্ট ও পাঁচজন কনস্টেবল।বেলা ১১টার দিকে উল্টো পথে আসা একটি নম্বরবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে থামার সংকেত দেয় পুলিশ। গাড়িটি আটক করে মামলা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতেই চালক ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। মুহূর্তের মধ্যে আশপাশ থেকে ১০ থেকে ১৫ জন সিএনজি চালক জড়ো হয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।সমাজে আইন অমান্য করার প্রবণতা এবং নৈতিক অবক্ষয় দিন দিন বাড়ছে, যা বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় ফুটে উঠছে।আরও পড়ুন: উত্তম বনাম অধম: একটি গুলি এবং দুটি ভিন্ন বাস্তবতা (নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র)পুলিশ সদস্যদের আহতের বিবরণউত্তেজিত চালকদের সাথে পুলিশের হাতাহাতির একপর্যায়ে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট ইমতিয়াজ শাহরিয়ার ও কনস্টেবল সালাউদ্দিন আহত হন। সরকারি দায়িত্ব পালনকালে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর ওপর এই হামলা জনমনে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।আহত সার্জেন্ট ইমতিয়াজ শাহরিয়ার বলেন,“নিয়মিত অভিযানের সময় উল্টো পথে আসা একটি নম্বরবিহীন সিএনজি অটোরিকশা আটক করি। সঙ্গে সঙ্গে আশপাশে থাকা অটোরিকশার চালকেরা আমাদের ওপর হামলা করেন। এ ঘটনায় মামলা করা হবে।”দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ যেমন জরুরি, তেমনি প্রয়োজন যোগ্য রাজনৈতিক নেতৃত্ব।আরও পড়ুন: আগামী জয়ের কান্ডারি: সংসদে যে ১০ জন বিপ্লবীকে দেখতে চাইপুলিশের কঠোর অবস্থান ও আটকহামলার পরপরই অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাৎক্ষণিকভাবে ১০ জন চালককে আটক করা হয়েছে।কর্ণফুলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আকাশ মাহমুদ জানান, “এ ঘটনায় পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে এবং মামলা প্রক্রিয়াধিন।”যেকোনো অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা আইনের শাসনের পূর্বশর্ত। অপরাধীরা পার পেয়ে গেলে অপরাধের মাত্রা বাড়ে।আরও পড়ুন: আন্দোলনের চাপ ছাড়া মিলবে না বিচার: শহীদ ওসমানের ভাইয়ের শঙ্কাস্বাস্থ্য ও লাইফস্টাইল (প্রাসঙ্গিক সংবাদ)সংবাদ পড়ার পাশাপাশি নিজের স্বাস্থ্যের প্রতিও খেয়াল রাখা জরুরি। সুস্থ থাকতে প্রাকৃতিক উপাদানের গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নিন:ওজন কমাতে ও চুলের যত্নে: কুমড়োর বীজ বা মিষ্টি কুমড়ার বিচি কেবল ফেলনা নয়, এটি সুপারফুড হিসেবে কাজ করে।বিস্তারিত জানুন: ওজন কমানো ও চুলের বৃদ্ধিতে কুমড়োর বীজের উপকারিতাডালের পুষ্টিগুণ: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মসুর ডাল কেন রাখবেন? এর বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জানুন।বিস্তারিত জানুন: মসুর ডালের বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতাউপসংহার: মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ট্রাফিক পুলিশের এই অভিযান প্রশংসনীয়। তবে উল্টো পথে গাড়ি চালানো এবং পুলিশের ওপর হামলার মতো ঘটনা প্রমাণ করে সড়কে বিশৃঙ্খলা রোধে আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন। আটককৃতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করলেই এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হবে।#ChittagongNews #TrafficPoliceAttack #Karnafuli #LawAndOrder #CNGDriver #BangladeshPolice
admin
পড়ুন
General
#32 21 Dec, 2025

প্রথম আলো, ডেইলি স্টারে হামলা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য ভয়াবহ মুহূর্ত

বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ওপর নজিরবিহীন হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, সংবাদপত্রের ওপর এই আঘাত মূলত বাংলাদেশের গণতন্ত্র এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপরই আঘাত।আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সন্ত্রাসীদের হামলায় ভস্মীভূত প্রথম আলো কার্যালয় পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তীব্র নিন্দাগত বৃহস্পতিবার রাতে দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে যে বর্বরোচিত হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।তিনি ভস্মীভূত প্রথম আলো ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় পোড়া ভবনের সামনে এক থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছিল। তিনি প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের কাছে সেই ভয়াল রাতের ঘটনার বিস্তারিত শোনেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চান।সমাজের বিভিন্ন স্তরে চলমান সহিংসতা ও নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র আমরা সাম্প্রতিক সময়ে বারবার দেখছি।আরও পড়ুন: উত্তম বনাম অধম: একটি গুলি এবং দুটি ভিন্ন বাস্তবতা (ওসমান হাদি বনাম হামলাকারী)গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেতপরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন,“প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা মানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত। এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি ভয়াবহ মুহূর্ত ছিল। আমরা এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাই না।”নির্বাচন ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাসামনে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের ভূমিকা যে অপরিহার্য, তা স্মরণ করিয়ে দেন মাইকেল মিলার। তিনি বলেন:“বাংলাদেশ যখন নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে, তখন মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিসর বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”“নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে এগোতে পারে, সেজন্য পত্রিকার প্রকাশনা চালিয়ে যেতে হবে।”“সংবাদ পরিবেশন অব্যাহত রাখতে হবে এবং সবার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।”নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে দেশবাসীও সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব খুঁজছে, যারা এমন সহিংসতা বন্ধ করতে পারবে।আরও পড়ুন: আগামী জয়ের কান্ডারি: সংসদে যে ১০ জন বিপ্লবীকে দেখতে চাইজবাবদিহিতার দাবি ও মতবিনিময়ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এই কঠিন সময়ে মতবিনিময় করেন প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক, উপসম্পাদক লাজ্জাত এনাব মহছি এবং হেড অব অনলাইন শওকত হোসেন। তারা রাষ্ট্রদূতের কাছে ঘটনার ভয়াবহতা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত মিলার স্পষ্ট করেন যে, অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরি।ঠিক একইভাবে দেশের অন্যান্য চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়েও জনমনে শঙ্কা রয়েছে, যেখানে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা আশু প্রয়োজন।আরও পড়ুন: আন্দোলনের চাপ ছাড়া মিলবে না বিচার: শহীদ ওসমানের ভাইয়ের শঙ্কাশেষ কথা: সংবাদপত্র হলো রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। নির্বাচনের আগে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের ওপর এমন নগ্ন হামলা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই বার্তা পরিষ্কার—গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকে বাঁচাতে হবে এবং ভয়ের সংস্কৃতি দূর করতে হবে।#ProthomAlo #EUinBangladesh #PressFreedom #Democracy #MichaelMiller #BangladeshElection #JournalismUnderAttack
admin
পড়ুন
Recommendation
General
#31 21 Dec, 2025

ওসমান হাদির ভাই বললেন: আন্দোলনের চাপ ছাড়া মিলবে না ওসমান হাদি হত্যার বিচার চাই

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন তার ভাই, জুলাই যুদ্ধের অন্যতম যোদ্ধা শরিফ ওমর বিন হাদি। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, রাজপথের আন্দোলনের চাপ অব্যাহত না থাকলে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।আন্দোলন ছাড়া বিচার অসম্ভবওমর বিন হাদি বলেন, “ওসমান হাদিকে ভালোবাসলে এবং তার হত্যার বিচার চাইলে জনগণকে আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে। শাহবাগকে ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদমুক্ত হিসেবে কায়েম করতে চাইলে আমাদের ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই।”তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর জনতার চাপ না থাকলে অপরাধীরা পার পেয়ে যেতে পারে।আরও পড়ুন: উত্তম বনাম অধম: ওসমান হাদি ও তার খুনির নৈতিক পার্থক্যঅনুদান নয়, বিপ্লব চাইশোকাতুর ভাই ওমর বিন হাদি অত্যন্ত দৃঢ়কণ্ঠে পরিবারের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি বলেন, “আমরা ওসমান হাদির পক্ষ থেকে কোনো আর্থিক সহযোগিতা চাই না। কোনো অনুদান চাই না। শুধু একটাই চাওয়া—ওসমান হাদির অসমাপ্ত বিপ্লবকে আপনারা সমাপ্ত করবেন।”তিনি উপস্থিত জনতার কাছে ওয়াদা চেয়ে বলেন, “ইনসাফের বাংলাদেশ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত আপনারা শান্ত হবেন না। ওসমান হাদি যে বিপ্লবী আন্দোলন শুরু করেছিল, যেই আন্দোলনের কারণে সে শহীদ হয়েছে, তার সেই অসমাপ্ত কাজ দেশের মানুষকে শেষ করতে হবে।”হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট ও পলাতক আসামিআওয়ামী লীগ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ইনকিলাব মঞ্চ গঠন করে সরব ছিলেন ওসমান হাদি। ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় গত ১২ ডিসেম্বর তিনি নৃশংস হামলার শিকার হন। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। গত বৃহস্পতিবার তিনি শাহাদাত বরণ করেন এবং শুক্রবার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।আরও পড়ুন: আগামী জয়ের কান্ডারি: সংসদে যে ১০ জন বিপ্লবীকে দেখতে চাইহত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের যে মামলা দায়ের করেছেন, তাতে প্রধান আসামি করা হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ফয়সাল করিম মাসুদকে। যদিও পুলিশ ও র‍্যাব এ ঘটনায় ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, তবে ফয়সালসহ মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, তারা ভারতে পালিয়ে গেছে। এই পলায়নের সুযোগ করে দেওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করছেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।দোয়ার মাহফিল ও রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিজামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই দোয়া মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মা’ছুম, ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা-১০ আসনের প্রার্থী জসীম উদ্দিন সরকার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন প্রমুখ।অনুষ্ঠানটি ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত কামনা এবং ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।বিস্তারিত জানুন: বিপ্লবী ওসমান হাদি সম্পর্কে আরও তথ্যউপসংহার: ওসমান হাদির রক্ত যেন বৃথা না যায়, সেজন্য জনতার ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি। তার ভাইয়ের এই ডাক কেবল একটি পরিবারের আরজি নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের শোষিত মানুষের মুক্তির ডাক।#OsmanHadi #JusticeForHadi #InqilabMancha #BangladeshPolitics #JulyRevolution
admin
পড়ুন
General
#30 21 Dec, 2025

একটি গুলি এবং দুটি ভিন্ন বাস্তবতা

ইতিহাস সাক্ষী, পাপ কখনো তার বাপকেও ছাড়ে না। যে কুলাঙ্গার ওসমান হাদির বুকে গুলি চালিয়েছে, তার প্রতি এবং তার পরিবারের প্রতি নেওয়া আইনি পদক্ষেপটি নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।তুই নিজে পালিয়ে ইন্ডিয়াতে আরাম করছিস, আর তোর পাপের বোঝা মাথায় নিয়ে তোর বৃদ্ধ বাবা-মা ও পরিবার আজ জেলের ঘানি টানছে। তোর চোদ্দগুষ্টিও হয়তো ভবিষ্যতে তোর পরিচয় দিতে ঘৃণা বোধ করবে। আজ তোর জন্মদাতা বাবা-মাও আক্ষেপ করছেন—কেন এমন কুলাঙ্গারকে পৃথিবীতে এনেছিলেন! দুনিয়াতেই তুই দেখে গেলি উত্তম আর অধমের পরিণাম।আমার উপলব্ধি ও কিছু কঠিন সত্য:ঘটনাস্থলে দুজনই মানুষ ছিল—একজন ওসমান হাদি, আর অন্যজন সেই হামলাকারী। রক্ত-মাংসের মানুষ এক হলেও তাদের 'শিক্ষা' আর 'পারিবারিক মূল্যবোধ' ছিল আসমান-জমিন তফাৎ।? ওসমান হাদি (উত্তম): যিনি আজ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়েও বা শাহাদাত বরণ করেও (পরিস্থিতি অনুযায়ী) কোটি মানুষের ভালোবাসা আর দোয়া কুড়াচ্ছেন। পুরো বাংলাদেশ আজ হাদির জন্য কাঁদছে। তার বাবা-মায়ের বুক গর্বে ভরে যাচ্ছে এমন সন্তান জন্ম দিয়ে। যার সুনাম আজ দেশের প্রতিটি কোণায় ছড়িয়ে পড়েছে।⚫ হামলাকারী (অধম): অন্যদিকে যে কাপুরুষ গুলি চালিয়েছে, সে আজ পলাতক। দিনরাত তার বাবা-মা সারাদেশের মানুষের গালি আর অভিশাপ কুড়াচ্ছে। লজ্জায়, অপমানে তার বাবা-মায়ের হয়তো এখন মরে যেতে ইচ্ছে করছে। বৃদ্ধ বয়সে এসে ছেলের অপকর্মের দায়ে তাদের জেলের অন্ধকার দেখতে হচ্ছে।পার্থক্য এটাই: একজন তার কর্ম দিয়ে বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করেছে, আর অন্যজন বাবা-মায়ের মুখে চুনকালি মেখেছে। শিক্ষা আর মনুষ্যত্বের এই পার্থক্যই নির্ধারণ করে দেয় কে মানুষের মনে বাঁচবে, আর কে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।সতর্ক হও সমাজ! কুলাঙ্গার সন্তানদের পরিণাম এমনই হয়।#HelpPost #AlertPost #osmanhadi #NCP #NCPBangladesh #ncpnews
admin
পড়ুন
General
#29 21 Dec, 2025

ওসমানের রক্ত কথা বলে: বিপ্লবীদের মৃত্যু নেই, তারা ইতিহাসের ধ্রুবতারা

এরা কেবল ব্যক্তি নন, এরা বিপ্লবী জনতার বজ্রকণ্ঠ। যারা দেশের উন্নয়নের জন্য, সাধারণ মানুষের মুক্তির জন্য নিজেদের জীবন বাজি রেখে সংগ্রাম করে গেছেন, তাদের থামানো এত সহজ নয়। বুলেট দিয়ে শরীর ঝাঁঝরা করা যায়, কিন্তু আদর্শকে হত্যা করা যায় না।যাদের বজ্রকণ্ঠ, ত্যাগ এবং দেশপ্রেমের কাছে স্বৈরাচার নত হতে বাধ্য হয়েছে, সেই ১০ জন বিপ্লবি:১. বিপ্লবী ওসমান হাদি (মামদানি, বাংলার সিংহ) যিনি কারো পরোয়া করেন না, যার কণ্ঠস্বর সততার চাদরে মোড়ানো। কোটি টাকার প্রলোভন উপেক্ষা করে তিনি আজও ‘ইনকিলাব মঞ্চ’ আঁকড়ে ধরে আছেন মানুষের মুক্তির দাবিতে। ঢাকা-৮ আসন থেকে তিনি স্বতন্ত্রভাবে লড়বেন, যার ভোট চাওয়ার স্টাইল মনে করিয়ে দেয় মামদানিকে।২. হাসনাত আব্দুল্লাহ (বাংলার বাঘ - এনসিপি) বিপ্লবীদের মধ্যে অন্যতম সাহসী মুখ। জনতার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে যিনি ক্যান্টনমেন্টকেও ছাড় দেননি। ক্ষমতার মোহ ত্যাগ করে তিনি রাজপথ বেছে নিয়েছেন। শেখ মুজিবের বাড়িতে গিয়ে ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার সাহস একমাত্র হাসনাতেরই আছে।৩. ডা. তাসনিম জারা (লৌহ মানবী - এনসিপি) বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে রাজনীতির মাঠে আসা এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। নিন্দুকদের অপমানকে অনুপ্রেরণা বানিয়ে তিনি এগিয়ে চলেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন উচ্চশিক্ষিত ও যোগ্য নারী রাজনীতিবিদ বিরল। তিনি বিজয়ী হলে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে।৪. ডা. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (নির্যাতিত - শিবির) সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েও যিনি ফ্যাসিবাদের সামনে মাথা নত করেননি। তার হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন আজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রশংসিত। মেধা ও ত্যাগের এক অনন্য উদাহরণ তিনি।৫. শিশির মনির (মজলুমদের দূত - জামাত) মেধা ও দূরদর্শিতায় যিনি অনন্য। আইনি লড়াইয়ে তিনি ফ্যাসিবাদের ত্রাস। খালেদা জিয়াসহ অসংখ্য মজলুম নেতার পক্ষে লড়েছেন একাই। দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে তার কণ্ঠ সবসময় সোচ্চার।৬. লুৎফুজ্জামান বাবর (সেভেন সিস্টার্সের বাপ - বিএনপি) যার নাম শুনলে আধিপত্যবাদীদের মসনদ কেঁপে ওঠে। ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলা এই নেতা জানেন, কীভাবে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে হয়। তিনি রাজনীতির সেই মাস্টারমাইন্ড, যিনি শিয়ালকে বাঘের ভয় দেখাতে জানেন।৭. নাহিদ ইসলাম (এক দফার ঘোষক - এনসিপি) ‘দফা এক, দাবি এক’—এই স্লোগানের রূপকার। মন্ত্রিত্বের মায়া ত্যাগ করে, সম্পদের হিসাব দিয়ে পদত্যাগ করে যিনি অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। ক্ষমতার মোহ তাকে স্পর্শ করতে পারেনি, তিনি জনতার কাতারেই ফিরে এসেছেন।৮. আখতার হোসেন (মাওলানা ভাসানী - এনসিপি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আতঙ্কের নাম, স্বৈরাচারের ভয়ের কারণ। রংপুরের মাটির সাথে মিশে থাকা এই নেতা নিজের ভাগ্য পরিবর্তন না করে শিক্ষার্থীদের ভাগ্য বদলে লড়াই করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে দাঁড়িয়েও তিনি ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার সাহস রাখেন।৯. ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ (বাংলার বজ্রকণ্ঠ) যার একেকটা কথা যেন শব্দবোমা। তরুণ এই বুদ্ধিজীবী কাউকে ভয় পান না। আঙুল উঁচিয়ে জনতার মনের কথাগুলো বলার মতো অদম্য সাহস তার আছে।১০. নুরুল হক নুর (নির্যাতিত বিপ্লবী - গণঅধিকার) হাসিনার শাসনামলে যিনি রাজপথে সবচেয়ে বেশি রক্ত ঝরিয়েছেন। যার প্রতিবাদে স্বৈরাচারের মসনদ বারংবার কেঁপে উঠেছে। তর্ক-বিতর্কের ঊর্ধ্বে গণতন্ত্রের লড়াইয়ে নূরের অবদান অনস্বীকার্য।একজনকে দাবিয়ে রাখলে ভাববেন না সব শেষ; বরং একজনকে থামানোর চেষ্টা করলে তৈরি হবে আরও হাজারো ওসমান। ওসমান হাদি আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যায়নি, হারাবেও না। সে মিশে আছে প্রতিটি দেশপ্রেমিক বাঙালির হৃদয়ের স্পন্দনে, প্রতিটি স্লোগানে।যাদের তোমরা নিশ্চিহ্ন করে দিতে চাও, মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করো—তারা ইতিহাসের পাতায় আজীবন গেঁথে থাকবে। মনে রেখো, অত্যাচারী শাসকের নাম কালস্রোতে হারিয়ে যাবে, কিন্তু আমাদের এই বিপ্লবী ভাইয়েরা হারাবে না।পুরো দেশের ইতিহাস তাদের আজীবন স্বর্ণাক্ষরে স্মরণ রাখবে। কারণ, বিপ্লবীদের মৃত্যু নেই, তারা চেতনার বাতিঘর হয়ে বেঁচে থাকে অনন্তকাল।ইনকিলাব জিন্দাবাদ! ??
admin
পড়ুন
Recommendation
General
#28 21 Dec, 2025

ওসমান হাদী: একটি নাম, একটি ইতিহাস, একটি নক্ষত্রের গল্প ?

কিছু মানুষ পৃথিবীতে আসেন যারা কেবল রক্ত-মাংসের মানুষ থাকেন না, নিজেদের কর্ম, প্রজ্ঞা আর ত্যাগের মাধ্যমে তাঁরা হয়ে ওঠেন এক একটি জীবন্ত প্রতিষ্ঠান। জনাব ওসমান হাদী ছিলেন তেমনই এক বিরল ব্যক্তিত্ব। তিনি কেবল একজন ব্যক্তি ছিলেন না, তিনি ছিলেন একটি অধ্যায়, একটি কালজয়ী ইতিহাস।​✊ তিনি ছিলেন এক জীবন্ত কিংবদন্তিসময়ের স্রোতে গা ভাসিয়ে দেওয়া মানুষের ভিড়ে তিনি ছিলেন এক ব্যতিক্রমী বাতিঘর। সত্যের পথে অবিচল থাকা এবং আদর্শের প্রশ্নে আপোষহীন মনোভাব তাঁকে দিয়েছিল কিংবদন্তির মর্যাদা। তাঁর উপস্থিতিই ছিল আমাদের জন্য এক বিশাল সাহসের উৎস। তাঁর প্রতিটি কথা, প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল আমাদের জন্য শিক্ষার এক উন্মুক্ত পাঠশালা।​❤ একের ভেতর সবতাঁকে কোনো একটি বিশেষণে সংজ্ঞায়িত করা কঠিন। কারণ, তিনি ছিলেন 'একের ভেতর সব'।▪️ যখন তিনি অভিভাবক, তখন তিনি ছিলেন পরম স্নেহশীল এক বিশাল বটবৃক্ষ।▪️ যখন তিনি নেতা, তখন তিনি ছিলেন বাঘের মতো তেজোদীপ্ত এবং সাহসী।▪️ যখন তিনি পরামর্শদাতা, তখন তাঁর প্রজ্ঞা আমাদের পথ দেখাত অন্ধকারের মাঝেও।​তিনি দেখিয়ে দিয়ে গেছেন, কীভাবে বিনয় দিয়ে মানুষের মন জয় করা যায়, আবার কীভাবে ব্যক্তিত্ব দিয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা যায়। তাঁর শূন্যতা হয়তো কোনোদিন পূরণ হবে না, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ এবং কর্ম আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবে অনন্তকাল।​আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনকে। তিনি আমাদের হৃদয়ের মণিকোঠায় বেঁচে থাকবেন চিরকাল। ​নিভে গেল বাতিঘর, কিন্তু আলো রয়ে গেল আমাদের অন্তরে... ?
admin
পড়ুন

Page 5 of 8