লগইন রেজিস্ট্রেশন

পড়ুন, লিখুন এবং আয় করুন

বাংলাদেশের জনপ্রিয় কন্টেন্ট শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে যোগ দিন। প্রতি পোস্ট এবং কমেন্টের মাধ্যমে আপনার টোকেন ব্যালেন্স বাড়িয়ে নিন।

10.00

টোকেন/পোস্ট

2.00

টোকেন/কমেন্ট

1000.00

মিনিমাম উইথড্র

72

লাইভ পোস্ট

Sponsored Ad

সাম্প্রতিক আপডেট

General
#17 16 Dec, 2025

বেগুন দিয়ে ১০টি জিভে জল আনা রেসিপি: রোজকার খাবারে আনুন নতুন স্বাদ!

বাঙালি মানেই ভোজনরসিক, আর আমাদের পাতের অন্যতম সঙ্গী হলো 'বেগুন'। অনেকেই হয়তো নাক সিটকানো স্বভাব নিয়ে বলেন, "বেগুন মানে যার কোনো গুণ নেই!" কিন্তু বিশ্বাস করুন, রান্নার কায়দা জানলে এই সাধারণ সবজিটিই হয়ে উঠতে পারে রাজকীয় স্বাদের।আজকের ব্লগে আমরা শেয়ার করবো বেগুন দিয়ে তৈরি ১০টি সেরা রেসিপি, যা গরম ভাত, পোলাও কিংবা রুটির সাথে জাস্ট জমে যাবে। পাশাপাশি রান্নার ফাঁকে আপনার প্রয়োজনীয় কিছু টেক ও লাইফস্টাইল টিপসও থাকবে এই ব্লগে।চলুন দেখে নিই, সাদামাটা বেগুনকে কীভাবে অসাধারণ করে তুলবেন।১. বেগুন ভাজা (The Classic Begun Bhaja)লিস্টের শুরুতেই থাকছে বাঙালির ইমোশন। গোল গোল করে কাটা বেগুন, হলুদ-লবণ আর সামান্য চিনি মাখিয়ে সরিষার তেলে কড়া করে ভাজা।রিভিউ: গরম ভাত, একটু ঘি আর এক টুকরো বেগুন ভাজা—এর চেয়ে স্বর্গের সুখ আর কিছুতে নেই।২. বেগুন ভর্তা (Smoky Mashed Eggplant)শীতের রাতে বা বৃষ্টির দিনে গরম ভাতের সাথে বেগুন ভর্তার তুলনা হয় না। বেগুন পুড়িয়ে, চামড়া ছাড়িয়ে সরিষার তেল, পোড়া শুকনা মরিচ, পেঁয়াজ আর ধনেপাতা দিয়ে মাখানো এই পদটি অমৃত।টিপস: ভর্তার স্বাদ বাড়াতে সামান্য সরিষার তেল কাঁচা অবস্থায় মিশিয়ে দিন।৩. দই বেগুন (Doi Begun)নিরামিষ দিনে একটু রাজকীয় ভাব আনতে দই বেগুনের জুড়ি মেলা ভার। টক দই, কাজুবাদাম বাটা আর কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো দিয়ে তৈরি এই গ্রেভি আইটেমটি দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও তেমনি সুস্বাদু।প্রো টিপ: আপনি যদি ইউটিউবে রান্নার ভিডিও দেখে এই রেসিপিটি ট্রাই করতে চান এবং আপনার ফোনে ভালো ডিসপ্লের প্রয়োজন হয়, তবে দেখে নিতে পারেন Samsung Galaxy Z Flip 6 এর রিভিউ। এর ফ্লেক্স মোড রান্নাঘরে ভিডিও দেখার জন্য দারুণ!৪. আচারি বেগুন (Achari Begun)যাঁরা একটু টক-ঝাল পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি মাস্ট-ট্রাই। পাঁচফোড়ন এবং আচারের মশলা ব্যবহার করে এটি রান্না করা হয়। এর স্বাদ অনেকটা টক-মিষ্টি আচারের মতো।৫. সরিষা বেগুন (Shorshe Begun)ইলিশের মতো বেগুনকেও সরিষা বাটা দিয়ে রাঁধলে এক অন্যরকম স্বাদ পাওয়া যায়। সাদা ও কালো সরিষা বাটা এবং কাঁচালঙ্কার ঝাল—সব মিলিয়ে এটি একটি ঝাজালো পদ।৬. বেগুনী (Beguni)রমজান মাস ছাড়াও বিকেলের নাস্তায় মুড়ির সাথে গরম গরম বেগুনী বাঙালির খুব প্রিয়। বেসন, কালোজিরা আর লবণের ব্যাটারে চুবিয়ে ডুবো তেলে ভাজা পাতলা বেগুনের ফালি।৭. পুর ভরা বেগুন (Stuffed Eggplant)এটি একটি এক্সক্লুসিভ আইটেম। বেগুনের মাঝখান থেকে চিরে ভেতরে মাছের কিমা, পনির কিংবা মাংসের কিমা পুর হিসেবে দিয়ে রান্না করা হয়। মেহমান আপ্যায়নে এটি সেরা।জরুরি তথ্য: অনলাইনে নতুন নতুন রেসিপি খোঁজার জন্য আপনার প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট। সাশ্রয়ী দামে সেরা ডাটা প্যাক পেতে দেখে নিন GP Internet Offer 30 Days List, যেখানে মাসজুড়ে নিশ্চিন্ত থাকার অফার রয়েছে।৮. হায়দ্রাবাদি বাঘারা বাইগন (Bagara Baingan)একটু ভিন্ন স্বাদের খোঁজ করছেন? তাহলে ট্রাই করুন হায়দ্রাবাদি এই ডিশটি। এতে তিল, চিনাবাদাম এবং নারকেলের পেস্ট ব্যবহার করা হয়। বিরিয়ানির সাথে এটি দারুণ মানায়।৯. বেগুন বাহার (Begun Bahar)
admin
পড়ুন
General
#16 16 Dec, 2025

GP Internet Offer 30 Days List

গ্রামীণফোন ৩০ দিনের সেরা ইন্টারনেট অফার ২০২৫: জিপি মাসিক এমবি প্যাকেজের দাম ও বিস্তারিতস্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য বারবার এমবি কেনা বেশ বিরক্তিকর একটি কাজ। হুট করে ইন্টারনেট শেষ হয়ে যাওয়া বা মেয়াদের টেনশন থেকে মুক্তি পেতে ৩০ দিনের বা মাসিক ইন্টারনেট প্যাকেজ-এর কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গ্রামীণফোন (GP) তাদের গ্রাহকদের জন্য ২০২৫ সালে নিয়ে এসেছে দারুণ কিছু মাসিক ইন্টারনেট অফার।আপনি যদি একজন জিপি গ্রাহক হয়ে থাকেন এবং সাশ্রয়ী দামে সেরা মাসিক প্যাকেজ খুঁজছেন, তবে আজকের এই ব্লগটি আপনার জন্যই। এখানে আমরা গ্রামীণফোনের ৩০ দিনের ইন্টারনেট অফারগুলোর দাম, ভলিউম এবং কাদের জন্য কোন প্যাকেজটি সেরা তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।জিপি ইন্টারনেট স্পিড আপডেট ২০২৫প্যাকেজগুলোর বিস্তারিত জানার আগে একটি সুখবর দিয়ে রাখি। গ্রামীণফোন তাদের ইন্টারনেটের গতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। ২০২৫ সালের নতুন তালিকা অনুযায়ী, এখন সাধারণ ব্রাউজিং থেকে শুরু করে গেমিং বা স্ট্রিমিং—সবকিছুতেই পাবেন ২ এমবিপিএস থেকে ১৫ এমবিপিএস পর্যন্ত সুপার ফাস্ট স্পিড। ফলে বাফারিংয়ের দিন এখন অতীত!গ্রামীন এমবি অফার ৩০ দিনের তালিকা (GP Internet Offer 30 Days List 2025)আপনার বাজেট এবং ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে গ্রামীণফোন বিভিন্ন রেঞ্জের প্যাকেজ সাজিয়েছে। নিচে ৩০ দিন মেয়াদী সকল প্যাকেজের তালিকা দেওয়া হলো:ইন্টারনেটের পরিমাণমূল্য (টাকা)মেয়াদ১০ জিবি৳ ৩০৮৩০ দিন১২ জিবি৳ ৩৯৯৩০ দিন২০ জিবি৳ ৪৯৯৩০ দিন২৫ জিবি৳ ৫২৯৩০ দিন৫০ জিবি৳ ৬২৯৩০ দিন৮০ জিবি৳ ৭২৮৩০ দিন১০০ জিবি৳ ৭৯৮৩০ দিনকোন প্যাকেজটি আপনার জন্য সেরা? (প্যাকেজ রিভিউ)সঠিক প্যাকটি বেছে নেওয়া জরুরি, নতুবা মাস শেষে আপনার খরচ বেড়ে যেতে পারে। চলুন দেখে নেওয়া যাক আপনার ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী কোনটি সেরা:১. লাইট ইউজারদের জন্য (১০ জিবি - ১২ জিবি):যাদের বাসায় বা অফিসে ওয়াইফাই আছে কিন্তু বাইরে চলাচলের সময় ডাটা প্রয়োজন হয়, তাদের জন্য ৩০৮ টাকায় ১০ জিবি বা ৩৯৯ টাকায় ১২ জিবি প্যাকেজটি সেরা। এতে ফেসবুক স্ক্রলিং, হোয়াটসঅ্যাপ এবং হালকা ব্রাউজিং অনায়াসেই করা যাবে।২. মিডিয়াম ইউজারদের জন্য (২০ জিবি - ২৫ জিবি):যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি সময় কাটান এবং মাঝেমধ্যে ইউটিউবে ভিডিও দেখেন, তাদের জন্য ৪৯৯ টাকায় ২০ জিবি অথবা ৫২৯ টাকায় ২৫ জিবি প্যাকেজটি পারফেক্ট। এটি পুরো মাসের জন্য একটি ব্যালেন্সড প্যাকেজ।৩. হেভি ইউজার বা ফ্রিল্যান্সারদের জন্য (৫০ জিবি - ১০০ জিবি):যাদের প্রচুর ডাটা প্রয়োজন, নিয়মিত ভিডিও স্ট্রিমিং করেন বা অনলাইন গেম খেলেন, তাদের জন্য ৫০ জিবি (৬২৯ টাকা) থেকে ১০০ জিবি (৭৯৮ টাকা) প্যাকেজগুলো সবচেয়ে লাভজনক। বিশেষ করে ১০০ জিবির প্যাকেজটি নিলে আপনি প্রতি জিপি ডাটা পাচ্ছেন খুবই কম দামে।অফারগুলো কীভাবে কিনবেন?গ্রামীণফোনের এই মাসিক প্যাকেজগুলো কেনা এখন পানির মতো সহজ। আপনি দুটি উপায়ে এই অফারগুলো এক্টিভ করতে পারেন:MyGP অ্যাপ: অ্যাপে লগইন করে 'Internet' সেকশনে গিয়ে 'Monthly' ট্যাবে ক্লিক করলেই সব অফার দেখতে পাবেন।ওয়েবসাইট: গ্রামীণফোনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করে সরাসরি রিচার্জের মাধ্যমেও প্যাকগুলো কেনা যাবে।শেষ কথাইন্টারনেট এখন আর বিলাসীতা নয়, প্রয়োজনীয়তা। আর সেই প্রয়োজন মেটাতে গ্রামীণফোনের ৩০ দিনের প্যাকেজগুলো হতে পারে আপনার নিশ্চিন্ত থাকার চাবিকাঠি। আশা করি, এই তালিকা থেকে আপনি আপনার পছন্দের জিপি ইন্টারনেট অফার ২০২৫ বেছে নিতে পারবেন।গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট স্পিড বা অন্য কোনো অফার সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব।বি:দ্র: মোবাইল অপারেটররা যেকোনো সময় তাদের প্যাকেজের মূল্য ও ভলিউম পরিবর্তন করার অধিকার রাখে। কেনার আগে মাইজিপি অ্যাপ থেকে লেটেস্ট অফারটি চেক করে নেওয়া ভালো।
admin
পড়ুন
General
#15 16 Dec, 2025

Samsung Galaxy Z Flip 6

স্টাইল এবং পারফরম্যান্সের দুর্ধর্ষ কম্বিনেশন!ফোল্ডেবল ফোনের জগতে যদি স্টাইল আইকন কাউকে বলা হয়, তবে সেটি নিঃসন্দেহে স্যামসাংয়ের 'ফ্লিপ' সিরিজ। পকেটে বা ছোট পার্সে সহজেই এঁটে যাওয়া এবং খুললেই ফুল সাইজ স্মার্টফোন—এই ম্যাজিক নিয়ে আবারও হাজির হয়েছে Samsung Galaxy Z Flip 6।বাইরে থেকে দেখতে অনেকটা আগের মডেলের মতো মনে হলেও, স্যামসাং এবার ফোনের ভেতরে, বিশেষ করে ক্যামেরা এবং পারফরম্যান্সে বড় পরিবর্তন এনেছে। চলুন, বিস্তারিত রিভিউয়ের মাধ্যমে জেনে নিই ফ্লিপ ৬ আসলে কেমন।১. ডিজাইন ও বিল্ড: আরও মজবুত, আরও সুন্দরগ্যালাক্সি ফ্লিপ ৬-এর ডিজাইন এবার অনেক বেশি রিফাইনড। আগের কার্ভ বা বাঁকানো ভাব কমিয়ে এবার ফ্ল্যাট বা চ্যাপ্টা এজ (Flat Edge) ব্যবহার করা হয়েছে, যা ফোনটিকে মডার্ন লুক দিয়েছে।ম্যাটেরিয়াল: এতে ব্যবহার করা হয়েছে আর্মার অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম এবং গরিলা গ্লাস ভিক্টাস ২। ফোনের পেছনের ক্যামেরার রিংগুলোতে এখন বডি কালারের ছোঁয়া দেওয়া হয়েছে, যা দেখতে বেশ প্রিমিয়াম লাগে।হিং বা ভাঁজ: ভাঁজ করা অবস্থায় এটি পুরোপুরি সমান্তরাল থাকে। স্ক্রিনের মাঝখানের দাগ (Crease) আগের চেয়ে সামান্য কম বোঝা যায়।IP48 রেটিং: এই প্রথম স্যামসাং তাদের ফ্লিপ ফোনে ধুলো প্রতিরোধক (Dust Resistance) রেটিং দিয়েছে, যা দীর্ঘস্থায়িত্বের জন্য ভালো খবর।২. ডিসপ্লে: ছোট প্যাকেটে বড় ধামাকামেইন ডিসপ্লে: ৬.৭ ইঞ্চির LTPO AMOLED ডিসপ্লে, যা ১ থেকে ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে। এর ব্রাইটনেস ২৬০০ নিটস পর্যন্ত হওয়ায় রোদের আলোতেও স্ক্রিন ঝকঝকে থাকে।কভার ডিসপ্লে (Flex Window): ৩.৪ ইঞ্চির বাইরের ডিসপ্লেটি ফোন না খুলেই মেসেজ রিপ্লাই দেওয়া, ম্যাপ দেখা বা সেলফি তোলার জন্য দারুণ। স্যামসাং এবার আরও বেশি উইজেট যুক্ত করেছে।৩. ক্যামেরা: সবচেয়ে বড় আপগ্রেডফ্লিপ সিরিজের ব্যবহারকারীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল ক্যামেরা নিয়ে। স্যামসাং এবার সেটা মিটিয়ে দিয়েছে।৫০ মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা: ফ্লিপ ৫-এর ১২ মেগাপিক্সেল থেকে সোজা ৫০ মেগাপিক্সেল (S24 এর সেইম সেন্সর)। এর ফলে ছবিতে এখন অনেক বেশি ডিটেইলস এবং শার্পনেস পাওয়া যায়। রাতের ছবিও আগের চেয়ে অনেক ভালো।১২ মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড: ওয়াইড শট নেওয়ার জন্য এটি বেশ কার্যকর।ফ্লেক্স ক্যাম (FlexCam): ফোনটিকে ৯০ ডিগ্রি ভাঁজ করে ট্রাইপডের মতো রেখে ছবি বা ভিডিও করা যায়। অটো-জুম ফিচারটি সাবজেক্ট অনুযায়ী ফ্রেম ঠিক করে নেয়, যা ভ্লগারদের জন্য দারুণ।৪. পারফরম্যান্স ও কুলিংছোট ফোন মানেই কি কম শক্তি? একদম না। এতে ব্যবহার করা হয়েছে Snapdragon 8 Gen 3 for Galaxy প্রসেসর।র‍্যাম: এবার সব ভেরিয়েন্টেই ১২ জিবি র‍্যাম দেওয়া হয়েছে (আগে ছিল ৮ জিবি)।কুলিং সিস্টেম: ফ্লিপ সিরিজে প্রথমবারের মতো Vapor Chamber কুলিং ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে গেম খেলা বা ভারী কাজ করার সময় ফোনটি আগের মতো চট করে গরম হয় না।৫. ব্যাটারি ও চার্জিংফ্লিপ ৬-এ ব্যাটারি বাড়িয়ে ৪০০০ mAh করা হয়েছে। প্রসেসরের পাওয়ার ইফিসিয়েন্সি এবং বড় ব্যাটারির কারণে এটি অনায়াসেই এক দিন পার করে দেয়। তবে চার্জিং স্পিড সেই ২৫ ওয়াটই রয়ে গেছে, যা ফুল চার্জ হতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় নেয়।৬. Galaxy AI ফিচারসফোল্ডেবল স্ক্রিনের সুবিধা নিতে স্যামসাং কিছু বিশেষ এআই ফিচার যুক্ত করেছে:Interpreter Mode: কভার স্ক্রিন এবং মেইন স্ক্রিন ব্যবহার করে দোভাষীর মতো কাজ করে। আপনি এক ভাষায় কথা বললে, সামনের জন কভার স্ক্রিনে তার ভাষায় লেখা দেখতে পাবেন।Chat Assist: কভার স্ক্রিন থেকেই এআই ব্যবহার করে মেসেজের রিপ্লাই সাজিয়ে পাঠানো যায়।এক নজরে স্পেসিফিকেশন (Specifications)ফিচারবিস্তারিতমেইন ডিসপ্লে৬.৭ ইঞ্চি Dynamic AMOLED 2X, 120Hzকভার ডিসপ্লে৩.৪ ইঞ্চি Super AMOLED (720 x 748 pixels)প্রসেসরSnapdragon 8 Gen 3 for Galaxy (4nm)র‍্যাম১২ জিবিস্টোরেজ২৫৬ জিবি / ৫১২ জিবিক্যামেরা (পেছনে)৫০ মেগাপিক্সেল (মেইন) + ১২ মেগাপিক্সেল (আল্ট্রাওয়াইড)ক্যামেরা (সেলফি)১০ মেগাপিক্সেলব্যাটারি৪০০০ mAh (২৫ ওয়াট তারযুক্ত, ১৫ ওয়াট ওয়ারলেস)ওএসAndroid 14 (One UI 6.1.1), ৭ বছরের আপডেটওজন১৮৭ গ্রামভালো ও খারাপ দিক✅ ভালো দিক:৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা আপগ্রেড দারুণ।১২ জিবি র‍্যাম এবং শক্তিশালী পারফরম্যান্স।দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ (ফ্লিপ সিরিজের ইতিহাসে সেরা)।৭ বছরের অ্যান্ড্রয়েড আপডেট গ্যারান্টি।প্রিমিয়াম এবং কম্প্যাক্ট ডিজাইন।❌ খারাপ দিক:টেলিফটো বা জুম লেন্স নেই।চার্জিং স্পিড বেশ ধীর (২৫ ওয়াট)।স্যামসাং ডেক্স (DeX) সাপোর্ট করে না।বক্সে চার্জার দেওয়া হয় না।মূল্য (Price in Bangladesh)বাংলাদেশে Samsung Galaxy Z Flip 6-এর দাম ভেরিয়েন্ট এবং শপ ভেদে ভিন্ন হতে পারে।অফিসিয়াল দাম: ১,৪০,০০০ - ১,৫৫,০০০ টাকার আশেপাশে (আনুমানিক)।আনঅফিসিয়াল দাম: ৯৫,০০০ - ১,১০,০০০ টাকার আশেপাশে (২৫৬ জিবি)।(বি:দ্র: বাজারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে দাম পরিবর্তনশীল)আমাদের রেটিং (Our Rating)ডিজাইন ও বিল্ড: ১০/১০ডিসপ্লে: ৯.৫/১০ক্যামেরা: ৮.৫/১০পারফরম্যান্স: ৯.৫/১০ব্যাটারি: ৮/১০ভ্যালু ফর মানি: ৮.৫/১০???? ওভারঅল রেটিং: ৯/১০শেষ কথাআপনি যদি এমন একটি ফোন খুঁজছেন যা পকেটে জায়গা কম নেয় কিন্তু পারফরম্যান্সে কোনো ছাড় দেয় না, তবে Samsung Galaxy Z Flip 6 আপনার জন্যই। বিশেষ করে যারা কনটেন্ট ক্রিয়েশন করেন বা ফ্যাশন সচেতন, তাদের জন্য এটি সেরা চয়েস। আগের ফ্লিপ ফোনগুলোর ব্যাটারি এবং ক্যামেরার দুর্বলতা কাটিয়ে এটি এখন একটি কমপ্লিট প্যাকেজ।
admin
পড়ুন
Recommendation
General
#14 16 Dec, 2025

Samsung Galaxy Z Fold 6 রিভিউ

Samsung Galaxy Z Fold 6 রিভিউ: ফোল্ডেবল ফোনের রাজা কি তার মুকুট ধরে রাখতে পারলো?স্মার্টফোনের দুনিয়ায় ফোল্ডেবল বা ভাঁজ করা ফোনের কথা উঠলেই সবার আগে চোখের সামনে ভেসে ওঠে স্যামসাং-এর নাম। এরই ধারাবাহিকতায় বাজারে এসেছে তাদের সর্বশেষ ফ্ল্যাগশিপ Samsung Galaxy Z Fold 6। আগের প্রজন্মের তুলনায় এটি আরও হালকা, আরও স্লিম এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Galaxy AI ফিচারে ভরপুর।কিন্তু আকাশচুম্বী দাম দিয়ে এই ফোনটি কি কেনা উচিত? চলুন জেনে নিই এই বিস্তারিত রিভিউর মাধ্যমে।১. ডিজাইন ও ডিসপ্লে: প্রিমিয়াম অনুভূতির নতুন রূপগ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ৬-এর সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে এর ডিজাইনে। এটি আগের চেয়ে অনেক বেশি চারকোনা (Boxy) এবং ধারালো লুক দেওয়া হয়েছে, যা গ্যালাক্সি S24 আল্ট্রার কথা মনে করিয়ে দেয়।ওজন ও আকার: এটি ফোল্ড ৫ এর চেয়ে হালকা (২৩৯ গ্রাম) এবং আরও স্লিম। হাতে ধরলে বেশ আরামদায়ক এবং প্রিমিয়াম মনে হয়।মেইন ডিসপ্লে: ৭.৬ ইঞ্চির ডায়নামিক AMOLED 2X ডিসপ্লে, যা ২৬০০ নিটস পর্যন্ত ব্রাইটনেস দিতে পারে। রোদের আলোতেও এটি পরিষ্কার দেখা যায়।কভার ডিসপ্লে: ৬.৩ ইঞ্চির বাইরের ডিসপ্লেটি আগের চেয়ে সামান্য চওড়া করা হয়েছে, ফলে টাইপিং করা এখন আরও সহজ।২. পারফরম্যান্স: গতির ঝড়ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে কোয়ালকমের সবচেয়ে শক্তিশালী Snapdragon 8 Gen 3 for Galaxy প্রসেসর। এর সাথে থাকছে ১২ জিবি র‍্যাম।গেমিং: PUBG, Genshin Impact বা Call of Duty-র মতো হাই-গ্রাফিক্স গেমগুলো আল্ট্রা সেটিংসে মাখনের মতো চলে।মাল্টিটাস্কিং: ফোল্ডেবল ফোনের আসল মজা হলো মাল্টিটাস্কিং। বড় স্ক্রিনে একসাথে তিনটি অ্যাপ চালানো এবং ড্র্যাগ-এন্ড-ড্রপ ফিচারটি এই ফোনকে একটি মিনি কম্পিউটারে রূপান্তর করে।৩. Galaxy AI: আগামীর প্রযুক্তিস্যামসাং এবার হার্ডওয়্যারের চেয়ে সফটওয়্যারে বেশি জোর দিয়েছে। Galaxy AI এর কিছু ফিচার আপনাকে মুগ্ধ করবে:Note Assist: আপনার মিটিংয়ের নোটগুলো এক ক্লিকেই গুছিয়ে দেবে।Sketch to Image: আপনি ভাঙাচোরা কিছু আঁকলেও এআই সেটাকে সুন্দর ছবিতে রূপান্তর করে দেবে।Interpreter Mode: বিদেশিদের সাথে কথা বলার সময় রিয়েল-টাইম অনুবাদে সাহায্য করবে, যা দুই স্ক্রিনেই দেখা যায়।৪. ক্যামেরা: ভালো, তবে আহামরি নয়সত্যি বলতে, ফোল্ড ৬-এর ক্যামেরা হার্ডওয়্যারে ফোল্ড ৫-এর তুলনায় খুব একটা পরিবর্তন নেই।৫০ মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা: দিনের আলোতে দুর্দান্ত ছবি তোলে। কালার এবং ডিটেইলস চমৎকার।১০ মেগাপিক্সেল টেলিফটো: ৩ গুণ অপটিক্যাল জুম সাপোর্ট করে।১২ মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড: ওয়াইড শটগুলো বেশ ভালো।তবে এত দামি ফোনে S24 Ultra-র মতো ২০০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা বা আরও ভালো জুম লেন্স আশা করা যেত।৫. ব্যাটারি ও চার্জিংফোনটিতে রয়েছে ৪৪০০ mAh ব্যাটারি। প্রসেসর পাওয়ার ইফিসিয়েন্ট হওয়ায় সাধারণ ব্যবহারে এক দিন পার হয়ে যায়। তবে ২৫ ওয়াটের চার্জিং স্পিড এই যুগে এবং এই দামের ফোনের জন্য বেশ হতাশাজনক।এক নজরে স্পেসিফিকেশন (Specifications)ফিচারবিস্তারিতডিসপ্লে (মেইন)৭.৬ ইঞ্চি Dynamic AMOLED 2X, 120Hzডিসপ্লে (কভার)৬.৩ ইঞ্চি Dynamic AMOLED 2X, 120Hzপ্রসেসরSnapdragon 8 Gen 3 for Galaxy (4nm)র‍্যাম১২ জিবিস্টোরেজ২৫৬ জিবি / ৫১২ জিবি / ১ টিবিক্যামেরা (পেছনে)৫০+১২+১০ মেগাপিক্সেলক্যামেরা (সেলফি)৪ মেগাপিক্সেল (আন্ডার ডিসপ্লে) + ১০ মেগাপিক্সেল (কভার)ব্যাটারি৪৪০০ mAh (২৫ ওয়াট চার্জিং)ওএসAndroid 14 (One UI 6.1.1), ৭ বছরের আপডেট গ্যারান্টিসুরক্ষাIP48 পানি ও ধুলোবালি প্রতিরোধকভালো ও খারাপ দিক✅ ভালো দিক:অত্যন্ত হালকা এবং পাতলা ডিজাইন।অসাধারণ ব্রাইট ডিসপ্লে (২৬০০ নিটস)।Galaxy AI ফিচারগুলো খুবই কাজের।দীর্ঘ ৭ বছরের সফটওয়্যার আপডেটের প্রতিশ্রুতি।শক্তিশালী পারফরম্যান্স।❌ খারাপ দিক:ক্যামেরা হার্ডওয়্যারে বড় কোনো আপগ্রেড নেই।চার্জিং স্পিড খুবই ধীর (মাত্র ২৫ ওয়াট)।অনেক বেশি দাম।প্যাকেজে চার্জার নেই।মূল্য (Price in Bangladesh)বাংলাদেশে Samsung Galaxy Z Fold 6 এর অফিসিয়াল এবং আনঅফিসিয়াল দামের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। (বাজারভেদে দাম পরিবর্তন হতে পারে)।অফিসিয়াল দাম: ২,৬০,০০০ - ২,৮০,০০০ টাকার আশেপাশে (২৫৬ জিবি ভেরিয়েন্ট)।আনঅফিসিয়াল দাম: ১,৬০,০০০ - ১,৮০,০০০ টাকার আশেপাশে।আমাদের রেটিং (Our Rating)ডিজাইন: ৯.৫/১০ডিসপ্লে: ১০/১০পারফরম্যান্স: ১০/১০ক্যামেরা: ৮/১০ব্যাটারি: ৭.৫/১০ভ্যালু ফর মানি: ৮/১০???? ওভারঅল রেটিং: ৮.৮/১০শেষ কথা: এটি কি আপনার কেনা উচিত?আপনি যদি আগে থেকেই Z Fold 5 ব্যবহার করেন, তবে এখনই আপগ্রেড করার খুব একটা প্রয়োজন নেই। কিন্তু আপনি যদি প্রথমবারের মতো কোনো ফোল্ডেবল ফোন কিনতে চান এবং বাজেট নিয়ে কোনো সমস্যা না থাকে, তবে Samsung Galaxy Z Fold 6 এই মুহূর্তের সেরা ফোল্ডেবল স্মার্টফোন। এর ডিজাইন, মাল্টিটাস্কিং ক্ষমতা এবং এআই ফিচার আপনার দৈনন্দিন কাজকে অনেক সহজ করে তুলবে।
admin
পড়ুন
General
#13 16 Dec, 2025

ঘরে বসে আয়: ১০টি সেরা ও পরীক্ষিত মাধ্যম

প্রযুক্তির এই যুগে ঘরে বসে আয় করা এখন আর অলীক কোনো কল্পনা নয়, বরং দিবা-রাত্রির মতোই সত্য। বর্তমান পৃথিবী ইন্টারনেট কেন্দ্রিক হওয়ায় প্রায় সব ধরনের কাজই এখন অনলাইনে করা সম্ভব হচ্ছে। বিশেষ করে করোনা পরবর্তী সময়ে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ ধারণাটি আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে।তবে মনে রাখা জরুরি, অনলাইনে আয়ের কোনো জাদুকরী মন্ত্র নেই। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া যেখানে ধৈর্য এবং দক্ষতার সমন্বয় ঘটাতে হয়। ইন্টারনেটে নানা প্রলোভন ও প্রতারণার ফাঁদ এড়িয়ে, সঠিক উপায় ও লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে গেলে ঘরে বসেই স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব।আজকের আর্টিকেলে আমরা ঘরে বসে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং নিশ্চিত ১০টি উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।১. ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing): মুক্ত পেশায় আয়ঘরে বসে আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বিশাল ক্ষেত্র হলো ফ্রিল্যান্সিং। এখানে আপনি কোনো নির্দিষ্ট বসের অধীনে নয়, বরং নিজের দক্ষতা অনুযায়ী প্রজেক্ট ভিত্তিক কাজ করতে পারেন।কোথায় কাজ করবেন: আপওয়ার্ক (Upwork), ফাইভার (Fiverr), ফ্রিল্যান্সার ডট কম বা পিপল পার আওয়ার-এর মতো জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজের সুযোগ রয়েছে।কিভাবে শুরু করবেন: নিজের দক্ষতা অনুযায়ী প্রোফাইল বা গিগ তৈরি করুন। বায়ার আপনার কাজে সন্তুষ্ট হলে পেমেন্ট নিশ্চিত করবেন, যা আপনি লোকাল ব্যাংকের মাধ্যমে সহজেই দেশে আনতে পারবেন।২. ব্লগিং ও গুগল অ্যাডসেন্স (Blogging & AdSense)লেখালেখি করতে ভালোবাসলে ব্লগিং হতে পারে আয়ের চমৎকার উৎস। নিজের একটি ব্লগ সাইট বা ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে বিভিন্ন ট্রপিক নিয়ে আর্টিকেল লিখতে পারেন।আয়ের উৎস: যখন আপনার ব্লগে ভিজিটর বাড়বে, তখন গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense)-এর জন্য আবেদন করতে পারেন। গুগলের বিজ্ঞাপন আপনার সাইটে প্রদর্শিত হবে এবং ভিজিটররা তাতে ক্লিক করলে আপনি ডলার আয় করবেন। এটি প্যাসিভ ইনকামের অন্যতম সেরা মাধ্যম।৩. ইউটিউব কন্টেন্ট ক্রিয়েশন (YouTubing)বর্তমানে ভিডিও কন্টেন্টের চাহিদা আকাশচুম্বী। আপনার যদি সৃজনশীলতা থাকে, তবে ইউটিউব চ্যানেল খুলে আয় করতে পারেন।কাজের ধরণ: মানুষের আগ্রহ আছে এমন টপিক নির্বাচন করে মানসম্মত ভিডিও তৈরি করুন।আয়: নির্দিষ্ট সাবস্ক্রাইবার এবং ওয়াচ টাইম পূর্ণ হওয়ার পর গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় শুরু হবে। পাশাপাশি স্পন্সরশিপ থেকেও ভালো আয়ের সুযোগ থাকে।৪. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing)নিজের কোনো পণ্য নেই? সমস্যা নেই। অন্যের পণ্য বিক্রি করে কমিশন আয়ের পদ্ধতিই হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।প্রক্রিয়া: আপনার ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যামাজন (Amazon) বা আলিবাবার মতো প্রতিষ্ঠানের পণ্যের রিভিউ বা লিংক শেয়ার করবেন। আপনার লিংকের মাধ্যমে কেউ পণ্য কিনলে আপনি নির্দিষ্ট হারে কমিশন পাবেন।৫. ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট (Virtual Assistant)বিশ্বজুড়ে অনেক ব্যস্ত উদ্যোক্তা বা কোম্পানি তাদের কাজের ভার কমানোর জন্য ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ দেয়।দায়িত্ব: ইমেইল ম্যানেজমেন্ট, অ্যাপয়েন্টমেন্ট শিডিউল করা, ডেটা এন্ট্রি বা কাস্টমার সাপোর্টের মতো কাজগুলো ঘরে বসেই করা যায়। বর্তমানে এর চাহিদা প্রচুর।৬. কন্টেন্ট রাইটিং (Content Writing)প্রতিটি ওয়েবসাইটের প্রাণ হলো কন্টেন্ট। আপনি যদি ভালো লিখতে পারেন, তবে কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।সুযোগ: নিজের ব্লগের পাশাপাশি বিভিন্ন কোম্পানি বা এজেন্সির জন্য আর্টিকেল লিখে আয় করা যায়। লেখার মান যত ভালো হবে, আয়ের পরিমাণ তত বাড়বে।৭. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (Social Media Marketing)ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা লিঙ্কডইনের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো এখন শুধুই বিনোদনের জায়গা নয়, আয়েরও বড় উৎস।কাজ: বিভিন্ন কোম্পানির সোশ্যাল মিডিয়া পেজ ম্যানেজ করা, পণ্যের প্রচারণা চালানো বা নিজের পেজে ফলোয়ার বাড়িয়ে স্পন্সরড পোস্টের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। বাংলাদেশে ফেসবুক মার্কেটিং করে অনেকেই এখন স্বাবলম্বী।৮. গ্রাফিক ডিজাইন (Graphic Design)সৃজনশীলতা এবং ডিজাইনিং দক্ষতা থাকলে গ্রাফিক ডিজাইন হতে পারে আয়ের নিশ্চিত পথ।কাজ: লোগো ডিজাইন, ব্যানার, পোস্টার বা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ডিজাইন করে মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করা যায়। ভালো ডিজাইনারদের চাহিদা সব সময়ই থাকে।৯. ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট (Web Design)একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করে সেটিকে আয়ের উৎসে পরিণত করা যায়। আবার ক্লায়েন্টের জন্য ওয়েবসাইট বানিয়েও আয় করা সম্ভব।পদ্ধতি: ডোমেইন-হোস্টিং সেটআপ, থিম কাস্টমাইজেশন এবং কন্টেন্ট আপলোড করে সাইটটি মনিটাইজ করতে পারেন। দক্ষ ওয়েব ডিজাইনার হতে পারলে মার্কেটপ্লেসে কাজের অভাব নেই।১০. অন্যান্য নিশ্চিত উপায়এছাড়াও আরও কিছু ছোট ছোট কাজ করে আয় করা সম্ভব। যেমন:অনলাইন টিউটর: আপনার পছন্দের বিষয়ে অনলাইনে ক্লাস নেওয়া।অনুবাদ (Translation): এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তর করা।ডেটা এন্ট্রি: বিভিন্ন তথ্যাদি গুছিয়ে এন্ট্রি করা।শেষ কথাঅনলাইনে বা ঘরে বসে আয় করা এখন আর স্বপ্ন নয়, বরং এটি একটি বাস্তবতা। তবে মনে রাখবেন, আজ শুরু করলেই কাল থেকে টাকা আসা শুরু হবে না। এর জন্য প্রয়োজন— ১. সঠিক দক্ষতা অর্জন। ২. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। ৩. ধৈর্য এবং অধ্যবসায়।অনলাইনে হাজারো সুযোগ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। দেরি না করে আপনার আগ্রহের বিষয়টি বেছে নিন এবং আজই কাজ শুরু করুন। সফলতা আসবেই।
admin
পড়ুন
General
#12 14 Dec, 2025

Chuwi HeroBook Plus Intel N4020 15.6

Chuwi HeroBook Plus রিভিউ: বাজেটের মধ্যে কি এটিই সেরা ল্যাপটপ?বর্তমান সময়ে ল্যাপটপের বাজার বেশ চড়া। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রী বা অফিস এক্সিকিউটিভরা যারা খুব বেশি বাজেট খরচ করতে চান না, কিন্তু ভালো মানের ডিসপ্লে এবং মোটামুটি কাজের উপযোগী একটি ল্যাপটপ খুঁজছেন, তাদের কাছে Chuwi ব্র্যান্ডটি বেশ পরিচিত। আজ আমরা আলোচনা করবো Chuwi HeroBook Plus নিয়ে, যাতে ব্যবহার করা হয়েছে Intel Celeron N4020 প্রসেসর।চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক—এই ল্যাপটপটি আসলে কাদের জন্য এবং এটি কেনা কি লাভজনক হবে?একনজরে স্পেসিফিকেশন (Key Specifications)| ফিচার | বিবরণ ||---|---|| ব্র্যান্ড ও মডেল | Chuwi HeroBook Plus || প্রসেসর | Intel Celeron N4020 (Dual Core, up to 2.8GHz) || র‍্যাম (RAM) | 8GB LPDDR4 || স্টোরেজ | 256GB SSD (Supports M.2 Expansion) || ডিসপ্লে | 15.6 Inch FHD (1920 x 1080) IPS || গ্রাফিক্স | Intel UHD Graphics 600 || ব্যাটারি | 38Wh (প্রায় ৫-৭ ঘণ্টা ব্যাকআপ) || ওজন | ১.৬৩ কেজি (প্রায়) || অপারেটিং সিস্টেম | Windows 10/11 Home |ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি (Design & Build)প্রথম দর্শনেই Chuwi HeroBook Plus আপনাকে মুগ্ধ করবে। এর সিলভার কালারের ফিনিশিং অনেকটা অ্যাপলের ম্যাকবুকের ভাইব দেয়। বডিটি সম্পূর্ণ প্লাস্টিকের তৈরি হলেও এটি দেখতে বেশ প্রিমিয়াম এবং সলিড মনে হয়। ১৫.৬ ইঞ্চির বড় ল্যাপটপ হওয়া সত্ত্বেও এর ওজন মাত্র ১.৬৩ কেজি, যা ব্যাগে নিয়ে চলাফেরার জন্য বেশ সুবিধাজনক। এর বেজেলগুলো (Bezels) বেশ সরু, যা ল্যাপটপটিকে মডার্ন লুক দিয়েছে।ডিসপ্লে: এই ল্যাপটপের মূল আকর্ষণ (Display)বাজেট ল্যাপটপগুলোতে সাধারণত ডিসপ্লের মান খুব একটা ভালো হয় না, কিন্তু Chuwi এখানে ব্যতিক্রম। এতে দেওয়া হয়েছে 15.6 ইঞ্চির Full HD (1920x1080) IPS প্যানেল। * কালার রিপ্র প্রোডাকশন এবং ভিউইং অ্যাঙ্গেল এই বাজেটের অন্যান্য ল্যাপটপের চেয়ে অনেক ভালো। * যারা মুভি দেখতে পছন্দ করেন বা দীর্ঘ সময় লেখালেখির কাজ করেন, তাদের জন্য এই বড় এবং শার্প ডিসপ্লেটি চোখের জন্য আরামদায়ক হবে।পারফরম্যান্স (Performance)এখানেই মূলত আপনাকে প্রত্যাশা বা এক্সপেক্টেশন ঠিক রাখতে হবে। * প্রসেসর: এতে আছে Intel Celeron N4020 প্রসেসর। এটি একটি এন্ট্রি-লেভেল ডুয়াল কোর প্রসেসর। * র‍্যাম ও স্টোরেজ: ভালো দিক হলো এতে 8GB RAM এবং 256GB SSD দেওয়া হয়েছে।এটি দিয়ে কী করা যাবে?ওয়েব ব্রাউজিং, ইউটিউব দেখা, মাইক্রোসফট অফিস (Word, Excel, PowerPoint), অনলাইন ক্লাস (Zoom/Google Meet) এবং ছোটখাটো ফটো এডিটিংয়ের কাজ খুব স্মুথলি করা যাবে। এসএসডি (SSD) থাকার কারণে ল্যাপটপটি মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই অন হয় এবং সাধারণ কাজে ফাস্ট রেসপন্স দেয়।এটি দিয়ে কী করা যাবে না?ভারী ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা আধুনিক গেমস খেলার জন্য এই ল্যাপটপটি মোটেও উপযুক্ত নয়। মাল্টিটাস্কিংয়ের সময় খুব বেশি ট্যাব ওপেন করলে সামান্য স্লো হতে পারে।কি-বোর্ড ও ট্র্যাকপ্যাড (Keyboard & Trackpad)১৫.৬ ইঞ্চির ল্যাপটপ হওয়ায় এতে ফুল-সাইজ কি-বোর্ড (নাম্বার প্যাড সহ) পাওয়া যাচ্ছে। কি-গুলোর ট্রাভেল ডিসটেন্স ভালো এবং টাইপিং অভিজ্ঞতা আরামদায়ক। ট্র্যাকপ্যাডটি বেশ বড় এবং জেশ্চার (Gesture) সাপোর্ট করে, তবে এটি গ্লাস ট্র্যাকপ্যাড নয়, প্লাস্টিক।পোর্ট ও কানেক্টিভিটি (Ports & Connectivity)কানেক্টিভিটির জন্য এতে প্রয়োজনীয় সব পোর্টই আছে: * ১টি USB 3.0 এবং ১টি USB 2.0 পোর্ট * Mini-HDMI পোর্ট (মনিটর বা প্রজেক্টরে কানেক্ট করার জন্য) * 3.5mm হেডফোন জ্যাক * RJ45 ইথারনেট পোর্ট (সরাসরি ব্রডব্যান্ড লাইন লাগানোর জন্য) * MicroSD কার্ড স্লটব্যাটারি ব্যাকআপ (Battery Life)এতে ৩৮ ওয়াট-আওয়ার (38Wh) ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। সাধারণ ব্যবহারে (ব্রাউজিং ও টাইপিং) আপনি প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ব্যাকআপ পাবেন। তবে ব্রাইটনেস ফুল রেখে ভিডিও দেখলে ব্যাকআপ কিছুটা কমতে পারে।সুবিধা ও অসুবিধা (Pros & Cons)✅ ভালো দিক (Pros): * ১৫.৬ ইঞ্চির চমৎকার FHD IPS ডিসপ্লে। * বাজেট অনুযায়ী 8GB RAM ও 256GB SSD। * পাতলা এবং হালকা ডিজাইন। * ফুল সাইজ কি-বোর্ড ও ভালো পোর্ট সিলেকশন। * শিক্ষার্থী ও অফিশিয়াল কাজের জন্য পারফেক্ট।❌ খারাপ দিক (Cons): * প্রসেসরটি ভারী কাজের জন্য নয় (N4020)। * Mini-HDMI পোর্ট (সরাসরি স্ট্যান্ডার্ড HDMI ক্যাবল লাগানো যায় না, কনভার্টার লাগে)। * স্পিকারের সাউন্ড কোয়ালিটি খুব আহামরি নয়। * বডি সম্পূর্ণ প্লাস্টিকের।চূড়ান্ত মতামত (Final Verdict)আপনি যদি একজন ছাত্র বা ছাত্রী হন, অথবা এমন কেউ হন যার প্রধান কাজ হলো ইন্টারনেট ব্রাউজিং, মুভি দেখা এবং অফিসের ডকুমেন্ট তৈরি করা—তবে Chuwi HeroBook Plus আপনার জন্য বর্তমান বাজারের অন্যতম সেরা ডিল হতে পারে। এই বাজেটে 8GB র‍্যাম এবং এমন সুন্দর ডিসপ্লে পাওয়া সত্যিই দুষ্কর।তবে, আপনার যদি ভিডিও এডিটিং বা গেমিংয়ের উদ্দেশ্য থাকে, তবে আপনাকে বাজেট বাড়িয়ে নূন্যতম Core i3 বা Ryzen 3 সিরিজের দিকে যাওয়া উচিত।রেটিং: ৭.৫/১০ (বাজেট বিবেচনায়)আপনার কি এই ল্যাপটপটি সম্পর্কে আরও কোনো প্রশ্ন আছে? কমেন্ট বক্সে আমাদের জানান!
admin
পড়ুন
Recommendation
General
#11 11 Dec, 2025

TANGY-SWEET TANDOORI EGG: A Review of an Exceptional Fusion Recipe

টক মিষ্টি তন্দুরি ডিম: একটি অসাধারণ ফিউশন রেসিপির রিভিউপ্রায়শই আমরা ডিমের সেই চেনা কারি বা অমলেট খেয়ে থাকি। কিন্তু যদি ডিমের স্বাদে আসে তন্দুরের স্মোকি ফ্লেভার আর সেই সাথে টক-মিষ্টির দারুণ একটি টুইস্ট? সম্প্রতি আমি "টক মিষ্টি তন্দুরি ডিম" রেসিপিটি অনুসরণ করে তৈরি করলাম এবং অভিজ্ঞতাটি ছিল সত্যিই চমৎকার। এটি কেবল একটি সহজ ডিমের তরকারি নয়, এটি স্বাদের একটি দারুণ ফিউশন যা আপনার ডাইনিং টেবিলের মনোযোগ কেড়ে নেবেই!রান্নাঘরের অভিজ্ঞতা: রেসিপিটির প্রস্তুতি কেমন ছিল?রেসিপিটির নির্দেশাবলী ছিল বেশ পরিষ্কার এবং সহজবোধ্য। পুরো রান্না প্রক্রিয়াটি মোটামুটি ৪৫ মিনিটের মধ্যে শেষ করা সম্ভব।১. ম্যারিনেশনের জাদুরেসিপিটির মূল আকর্ষণ হলো ডিম ম্যারিনেট করার পদ্ধতি। সেদ্ধ ডিমগুলো বুক চিড়ে তৈরি করা বিশেষ মিশ্রণটি, যেখানে রয়েছে দই, লেবুর রস, তন্দুরি মশলা, এবং আদা-রসুনের পেস্ট, truly ম্যাজিক!স্মার্ট টিপ: নির্দেশ অনুযায়ী ৩০ মিনিট ম্যারিনেট করা জরুরি। লেবুর রস এবং দইয়ের অ্যাসিডিক মিশ্রণ ডিমের ভেতরে মশলা ঢোকাতে সাহায্য করে, যা পরে ডিম ভাজার সময় একটি সুন্দর স্মোকি টক-মিষ্টি ভাব আনে।২. তন্দুরি ফিনিশসামান্য সর্ষের তেলে ম্যারিনেট করা ডিমগুলো ভেজে নেওয়ার প্রক্রিয়াটি এই রেসিপির স্বাদকে অন্য স্তরে নিয়ে যায়। ডিমের বাইরের অংশটি সুন্দর লালচে রং ধারণ করে এবং তন্দুরি মশলার একটি দারুণ সুগন্ধ ছড়ায়।৩. কারি তৈরি ও ফিউশনডিম ভাজার পর গোটা গরম মশলার ফোড়ন এবং পেঁয়াজের সাথে অন্যান্য মশলা মিশিয়ে কারি তৈরি করা হয়। রেসিপিতে ৪-৫ পিস লঙ্কা ব্যবহারের নির্দেশ থাকলেও, আমি ঝালটা হালকা রাখতে চেয়ে সামান্য কম ব্যবহার করেছি।মসলা থেকে যখন জল ছাড়তে শুরু করল, তখন ভাজা ডিমগুলো দিয়ে দেওয়া হয়। মিডিয়াম আঁচে মাত্র ১০ মিনিটের জন্য রান্না করলেই তৈরি হয়ে যায় এই স্পেশাল ডিশ।আমার ব্যক্তিগত মতামত ও রিভিউএই রেসিপিটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য।ভালো দিকযা আরও ভালো হতে পারতস্বাদের ফিউশন: টক (লেবু ও দই) এবং মিষ্টির (পেঁয়াজের ক্যারামেলাইজেশন) সাথে তন্দুরি মশলার স্মোকি ফ্লেভার এক অসাধারণ ভারসাম্য তৈরি করেছে।ঘনত্ব: কারিটি আরও একটু ঘন করার জন্য সামান্য পোস্ত বা কাজু বাদাম বাটা ব্যবহার করা যেতে পারত।প্রস্তুতিতে সরলতা: নামীদামি মশলা ব্যবহার হলেও, রান্নার পদ্ধতি খুব সাধারণ এবং যে কেউ সহজে এটি তৈরি করতে পারে।তেলের ব্যবহার: সর্ষের তেলের পরিমাণ সামান্য কমাতে পারলে আরও স্বাস্থ্যকর হবে।উপস্থাপনা: লালচে ডিমের টুকরোগুলো দেখতে দারুণ লাগে।উপভোগের পরামর্শএই টক মিষ্টি তন্দুরি ডিম রেসিপিটি আপনি নিঃসন্দেহে গরম ভাত, জিরা রাইস, অথবা রাতের রুটি/পরোটার সাথে পরিবেশন করতে পারেন। বিশেষ করে ছুটির দিনের দুপুরে এটি একটি দারুণ পদ হতে পারে।আপনি যদি ডিম নিয়ে নতুন কোনো পরীক্ষা করতে চান এবং চিরাচরিত স্বাদ থেকে বেরিয়ে আসতে চান, তবে এই "টক মিষ্টি তন্দুরি ডিম" রেসিপিটি আপনার জন্য একটি মাস্ট-ট্রাই ডিশ!আপনার পালা! আপনি কি কখনো তন্দুরি ফ্লেভারের ডিমের কারি ট্রাই করেছেন? আপনার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল, কমেন্ট বক্সে জানান!
admin
পড়ুন
General
#10 11 Dec, 2025

The Mystery of Torn Banknotes

ছেঁড়া টাকার রহস্য: ব্যাংক কেন নেয় এবং নিয়ে কী করে?আমরা প্রায় সবাই জানি যে, ছেঁড়া বা পুরনো নোট ব্যাংকে জমা দিলে তার বদলে আমরা ভালো নোট ফেরত পাই। অর্থাৎ, ব্যাংক এই টাকাগুলো বিনিময় করে নেয়। কিন্তু এই বিনিময় প্রক্রিয়ার নেপথ্যে কারণ কী? ব্যাংক কেন এই ক্ষতিগ্রস্ত টাকাগুলো গ্রহণ করতে বাধ্য এবং এগুলো নিয়েই বা তারা পরবর্তীতে কী করে?চলুন, এই প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে জেনে নেওয়া যাক।১. ছেঁড়া টাকা ব্যাংক কেন নেয়?ব্যাংকের ছেঁড়া টাকা নেওয়ার প্রধান কারণগুলো আইনের বাধ্যবাধকতা এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা।আইনের বাধ্যবাধকতা: বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে যে, সমস্ত তফসিলি ব্যাংক গ্রাহকের কাছ থেকে ছেঁড়া, পুরনো, বা ক্ষতিগ্রস্ত নোট (যা একেবারে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়নি) গ্রহণ করতে বাধ্য। এই সেবাটি ব্যাংকিং সেবারই অংশ। টাকাটি যদি জাল না হয়, তবে ব্যাংক আইন অনুযায়ী তা নিতে বাধ্য।গ্রাহক সুরক্ষা: ব্যাংক নিশ্চিত করে যে একজন সাধারণ নাগরিক তার নোট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে যেন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন। এটি মূলত "তুমি নাগরিক, তোমার টাকা নষ্ট হলেও আমরা দায় নিচ্ছি" — এই নীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত।২. ব্যাংক এই ছেঁড়া টাকা নিয়ে কী করে?ব্যাংক এই ছেঁড়া নোটগুলো নিজের কাছে রেখে দেয় না, বরং এটিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ফেরত পাঠানোর মাধ্যমে একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।সংগ্রহ ও হিসাব: বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তাদের শাখাগুলোতে সংগৃহীত সব ছেঁড়া ও পুরনো নোট একটি নির্দিষ্ট জায়গায় জমা করে রাখে। একটি নির্দিষ্ট সময় পর, তারা সেই সব ক্ষতিগ্রস্ত নোটের পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব তৈরি করে এবং বান্ডিল আকারে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে পাঠায়।ধ্বংস প্রক্রিয়া ("Note Shredding"): বাংলাদেশ ব্যাংক এই ছেঁড়া এবং পুরনো নোটগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো ছোট ছোট টুকরায় কেটে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে ফেলে। এই প্রক্রিয়াটি "Note Shredding" নামে পরিচিত।নতুন নোট বাজারে ছাড়া: ধ্বংস করা বা বাতিল হওয়া টাকার সমমূল্যের নতুন নোট বাংলাদেশ ব্যাংক ছাপায় এবং বাজারে ছাড়ে। এটি নিশ্চিত করে যে দেশের বাজারে অর্থের মোট সরবরাহ (Money Supply) অপরিবর্তিত থাকে।এভাবেই নোটের প্রচলন এবং বাতিলকরণের প্রক্রিয়াটি নিরবচ্ছিন্নভাবে চলমান থাকে। ছেঁড়া টাকা সরিয়ে সেই জায়গায় নতুন নোট প্রতিস্থাপন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের মুদ্রাব্যবস্থাকে সচল রাখে। একই সঙ্গে, এই প্রক্রিয়াটি দেশে টাকার সরবরাহকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) যেন অস্বাভাবিকভাবে না বাড়ে, সেই ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।এই প্রক্রিয়াটি কেবল একটি ব্যাংকিং সেবা নয়, বরং দেশের সামগ্রিক মুদ্রাব্যবস্থা সচল রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
admin
পড়ুন
General
#9 11 Dec, 2025

prince-harry-king-charles-reunion-2025

রাজা চার্লস ও প্রিন্স হ্যারি: সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে আশার আলো?পাঁচ বছরের দীর্ঘ টানাপোড়েন, অভিমান, ও গভীর বিভাজন যুক্তরাজ্যের রাজপরিবারকে দগদগে ক্ষত দিয়ে গেছে। বিশেষ করে রাজা তৃতীয় চার্লস এবং তাঁর ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারির মধ্যে যে বিশাল দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা ছিল বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তবে, সম্প্রতি এই উত্তেজনার বরফ কিছুটা হলেও গলতে শুরু করেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।সেপ্টেম্বরের সফর ও নতুন করে বোঝাপড়ার ইঙ্গিতআগামী ৮ সেপ্টেম্বর প্রিন্স হ্যারি যখন লন্ডনে ওয়েলচাইল্ড পুরস্কার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসছেন, তখন সবার মনে একটাই প্রশ্ন—এবার কি বাবা-ছেলের দেখা হবে?সুযোগ: রাজা চার্লস তখন যুক্তরাজ্যেই থাকবেন, মূলত স্কটল্যান্ডের বালমোরাল এস্টেটে। ফলে চাইলেই হ্যারি বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন।ইতিহাস: এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাবার অসুস্থতার খবর শুনে হ্যারি আকস্মিক সফরে এসেছিলেন। কিন্তু তখনও তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছিল মাত্র আধা ঘণ্টার মতো।আস্থার সংকট কাটানোর চেষ্টাসম্প্রতি একাধিক ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, উভয় পক্ষই পরিস্থিতি বদলাতে আগ্রহী।হ্যারি ও মেগানের নতুন জনসংযোগ টিমের সঙ্গে রাজা চার্লসের যোগাযোগসচিবের একটি গোপন বৈঠক হওয়ার খবর সামনে এসেছে। কয়েক বছর আগেও যা ছিল অকল্পনীয়, এখন তা 'বোঝাপড়ার' এক গুরুত্বপূর্ণ সঙ্কেত।তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আস্থা অর্জন। হ্যারির স্মৃতিকথা স্পেয়ার প্রকাশের পর পরিবারের ব্যক্তিগত অনেক বিষয় প্রকাশ্যে আসে, যা বাবা চার্লস ও ভাই উইলিয়ামের সঙ্গে সম্পর্ককে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল।পুনর্মিলনের আকুতিনিজের ইচ্ছার কথা গোপন করেননি হ্যারি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন:“আমি পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলন চাই। জানি না বাবার কত দিন বাকি আছে...কিন্তু সব মিটমাট হলে ভালো লাগবে।”পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন, এই মন্তব্যের মধ্যে পুনর্মিলনের স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে।এখনও বড় বাধা: প্রিন্স উইলিয়ামসম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলেন বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়াম। তাঁদের দূরত্ব এখনও গভীর, এবং কেউই কারও সঙ্গে কথা বলছেন না। এই দুই ভাই পরিবারকে কেন্দ্র করে প্রবল সুরক্ষামূলক অবস্থানে থাকায় তাঁদের সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে আরও অনেক সময় লাগতে পারে।আশার আলো: মানবিক কাজহ্যারি তাঁর মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ককে এখনও জীবন্ত রেখেছেন। নটিংহ্যামের একটি দাতব্য সংস্থায় বড় অঙ্কের অনুদান বা দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মতো কাজগুলো প্রমাণ করে যে, দূরে থেকেও নিজের দেশ ও জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ তিনি ভোলেননি।সবকিছু মিলিয়ে, আগামী সেপ্টেম্বরে হ্যারির সফর বাবা-ছেলের দূরত্ব কমানোর এক বিশেষ সুযোগ হতে পারে। রাজপরিবারের দীর্ঘ বিভাজন মিটিয়ে নতুন অধ্যায় শুরু করতে এই সফর কতটা কার্যকর হয়, তা দেখার জন্যই এখন সবার অপেক্ষা।আপনার কী মনে হয়? এই সফরে কি রাজা চার্লস ও প্রিন্স হ্যারির দূরত্ব কমবে? মন্তব্যে জানান!
admin
পড়ুন
Recommendation
General
#8 10 Dec, 2025

Honor 500 Pro

✨ Honor 500 Pro: এক ঝলকে শ্রেষ্ঠত্বHonor 500 Pro (12GB+256GB) একটি পাওয়ারফুল ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস, যা সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স, আল্ট্রা-ব্রাইট ডিসপ্লে এবং অসাধারণ ক্যামেরার প্রতিশ্রুতি নিয়ে এসেছে।???? মূল্য ও মুক্তির তথ্যবৈশিষ্ট্যবিবরণঅনফিসিয়াল মূল্যBDT. 70,000মুক্তি/স্ট্যাটাস24 নভেম্বর 2025 / In Stockভেরিয়েন্ট12GB RAM + 256GB ROMনেটওয়ার্ক2G, 3G, 4G, 5G???? হার্ডওয়্যার ও পারফরম্যান্স (Performance Powerhouse)সেকশনস্পেসিফিকেশনকেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?চিপসেটQualcomm SM8750-AB Snapdragon 8 Elite3 nm ফ্যাব্রিকেশন—অ্যান্ড্রয়েডের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স এবং দক্ষতা।প্রসেসর (CPU)Octa-core (Oryon V2 Phoenix)বিদ্যুত-দ্রুত লোডিং এবং মাল্টিটাস্কিং নিশ্চিত করে।GPUAdreno 830হাই-এন্ড গেমিং এবং গ্রাফিক্সের জন্য চূড়ান্ত ক্ষমতা।RAM/ROM12 GB LPDDR5X + 256 GB UFSভারী অ্যাপ্লিকেশন এবং গেমিংয়ের জন্য প্রচুর মেমরি।অপারেটিং সিস্টেমAndroid v16, MagicOS 10লেটেস্ট অ্যান্ড্রয়েড এবং ফিচারে ভরা ইউজার ইন্টারফেস।???? ব্যাটারি এবং চার্জিং (Power and Endurance)বৈশিষ্ট্যস্পেসিফিকেশনসুবিধাক্যাপাসিটি8000 mAh Li-Ionবাজারের অন্যতম বড় ব্যাটারি, দীর্ঘ ব্যাকআপ নিশ্চিত।ওয়্যার্ড চার্জিং80W Quick Chargingবিশাল ব্যাটারিও দ্রুত চার্জ হবে।ওয়্যারলেস চার্জিং50W Wireless Chargingআধুনিক এবং সুবিধাজনক দ্রুত ওয়্যারলেস চার্জিং।রিভার্স চার্জিং5W Reverse Wiredঅন্য ডিভাইস চার্জ করার সুবিধা।???? ক্যামেরা সিস্টেম (Photography Powerhouse)ক্যামেরারেজোলিউশনঅ্যাপারচার ও ফিচারপ্রধান (Wide)200 MP, f/1.9OIS সহ আল্ট্রা-হাই রেজোলিউশন, ডিটেইলড ছবি।টেলিফটো50 MP, f/2.4পেরিস্কোপ লেন্সের মাধ্যমে দুর্দান্ত অপটিক্যাল জুম।আল্ট্রা-ওয়াইড12 MP, f/2.2বিশাল ল্যান্ডস্কেপ বা গ্রুপের ছবি তোলার জন্য।সেলফি ক্যামেরা50 MP, f/2.0হাই-রেজোলিউশন সেলফি এবং ভিডিও কলিং।ভিডিও রেকর্ডিং4K (3840x2160)স্ট্যাবিলাইজেশনের জন্য OIS এবং gyro-EIS সাপোর্ট।???? ডিসপ্লে এবং ডিজাইন (Immersive Visuals)সেকশনস্পেসিফিকেশনঅতিরিক্ত সুবিধাডিসপ্লে টাইপAMOLEDগভীর কালো রং এবং দারুণ কালার ভায়ব্রেন্সি।স্ক্রিন সাইজ6.55 ইঞ্চি (পাঞ্চ-হোল)আদর্শ হ্যান্ডলিং সহ বড় ডিসপ্লে।রিফ্রেশ রেট120 Hzমসৃণ স্ক্রলিং এবং গেমিং অভিজ্ঞতা।ব্রাইটনেস6000 nits (Peak)সূর্যের আলোতে ব্যবহারের জন্য আল্ট্রা-ব্রাইট।সুরক্ষাAluminosilicate Glassস্ক্রিন সুরক্ষার জন্য প্রিমিয়াম কাঁচ।IP রেটিংIP68/IP69Kজল, ধুলো এবং উচ্চ চাপ প্রতিরোধী—অত্যন্ত মজবুত।বায়োমেট্রিক্সআল্ট্রাসনিক অন-স্ক্রিন ফিঙ্গারপ্রিন্টদ্রুত এবং উন্নত নিরাপত্তা।এই সুসংগঠিত তথ্য চার্টটি Honor 500 Pro এর সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যকে দ্রুত এবং কার্যকরভাবে তুলে ধরছে।
admin
পড়ুন

Page 7 of 8